Advertisement
E-Paper

প্রোমোটারি বিবাদের জেরেই গুলি, ধৃত ৩

এলাকায় প্রোমোটারি কাজের দখল নিয়েই বৃহস্পতিবার গুলি চলেছিল কড়েয়ায়। ঘটনায় অভিযুক্ত তিন জনকে গ্রেফতারের পর এমনই দাবি লালবাজারের অফিসারদের। পুলিশ জানায়, ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার প্রদীপ ভগত, মহম্মদ আসফাক ও মহম্মদ আকবর ওরফে বোচাকে গ্রেফতার করা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৪৬

এলাকায় প্রোমোটারি কাজের দখল নিয়েই বৃহস্পতিবার গুলি চলেছিল কড়েয়ায়। ঘটনায় অভিযুক্ত তিন জনকে গ্রেফতারের পর এমনই দাবি লালবাজারের অফিসারদের। পুলিশ জানায়, ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার প্রদীপ ভগত, মহম্মদ আসফাক ও মহম্মদ আকবর ওরফে বোচাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রদীপ ও আসফাক তিলজলার বাসিন্দা। বোচার বা়ড়ি কড়েয়ায়। তিন জনই দাগি দুষ্কৃতী হিসেবে চিহ্নিত।

পুলিশের দাবি, এই ঘটনায় আরও কিছু লোক জড়িত। চক্রটির একাধিক চাঁইয়েও খোঁজ চলছে। তবে শুক্রবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় আর কোনও গ্রেফতারির খবর নেই।

পুলিশ জানায়, দুষ্কৃতীরা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ কড়েয়া থানার শিবতলা লেনের একটি বাড়ির ছাদ থেকে পাশের বাড়ি লক্ষ করে গুলি চালায়। তাতে শেখ আরশাদ ও আমিন আলি গাজি ওরফে ছোটু নামে দুই যুবক আহত হন। পুলিশের দাবি, আমিন ও প্রদীপ, দু’টি দলই প্রোমোটারির সঙ্গে যুক্ত। তা নিয়ে বহু গোলমালও বেধেছে। দিন কয়েক আগে একটি গোলমালে প্রদীপরা মার খেয়েছিল। তার বদলা নিতেই এই হামলা হয়েছে বলেও দাবি করছেন লালবাজারের একাংশ।

পুলিশের অনেকেই বলছেন, কড়েয়া, তপসিয়ায় বেআইনি প্রোমোটিং ও তার জন্য এলাকা দখলের অভিযোগ বহু দিনের। তা নিয়ে স্থানীয় দুষ্কৃতীদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দলও রয়েছে। সেই কোন্দলে রাশ না টানার ফলেই গুলি চালানোর ঘটনা বলে মনে করছেন অনেকে। বৃহস্পতিবার ঘটনার পরেই লালবাজারের গুন্ডাদমন শাখার একটি দলকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। পুলিশ জানায়, তিলজলার রবিদাস পার্কে প্রদীপকে পাকড়াও করা হয়। প্রদীপকে টোপ হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাকি দু’জনকে ধরা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র মেলেনি।

স্থানীয়দের দাবি, প্রোমোটারি ছাড়াও মাদক ব্যবসা নিয়েও প্রদীপ ও আমিনদের মধ্যে গোলমাল বাধে। যদিও আরশাদের পরিজনদের দাবি, প্রদীপেরা আরশাদদের জোর করে মাদক ব্যবসায় নামাতে চেয়েছিল। কিন্তু আমিনেরা রাজি না হওয়াতেই গুলি চালানো হয়েছে।

এই ঘটনার পর ফের শহরে দুষ্কৃতীদের হাতে দেদার অস্ত্র থাকার কথা সামনে এসেছে। সুরজিৎ করপুরকায়স্থ পুলিশ কমিশনার থাকার সময় থেকেই শহরে অস্ত্র উদ্ধারে জোর দিতে বলেছিলেন। ধরপাকড়ও শুরু হয়। বিধানসভা ভোটের আগেও শহরে দুষ্কৃতীদমন অভিযান জারি ছিল। পরবর্তী কালে সে ভাবে ধরপাকড়, অস্ত্র অভি‌যান না হওয়ায় ফের অস্ত্র এসেছে গুন্ডাদের হাতে। লালবাজারের দাবি, গুন্ডাদমন শাখা ধরপাকড়ে সক্রিয়। অগস্টে ৮-১০ জন দুষ্কৃতীকে অস্ত্র-সহ ধরা হয়েছে।

miscreants open fire promoter
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy