জঞ্জাল অপসারণের জন্য জোকা এলাকায় উন্নত পদ্ধতি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে কলকাতা পুরসভা। কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ (জঞ্জাল) দেবব্রত মজুমদার বলেন, “উন্নত পুর-পরিষেবার জন্য এই এলাকায় আধুনিক পদ্ধতিতে জঞ্জাল অপসারণের কথা ভাবা হয়েছে। এই কাজ যত দ্রুত শুরু করা যায় সে বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।’’
পুরসভার বর্জ্য অপসারণ দফতরের এক আধিকারিক জানান, কলকাতা পুর-এলাকার মতোই জোকার সংযোজিত এলাকাতেও কম্প্যাক্টরের মাধ্যমে জঞ্জাল সাফাই হবে। এই অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় কম করে ৫০টি ২১০লিটারের বিন বসানো হবে। এই সব বিনে জমা জঞ্জাল ভ্রাম্যমান কম্প্যাক্টরের মাধ্যমে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এই ৫০টি বিন থেকে জঞ্জাল সরানোর জন্য সাতটি আধুনিক মানের ভ্রাম্যমান কম্প্যাক্টর ব্যবহার করা হবে।
কয়েক বছর আগেই জোকার কিছু এলাকা কলকাতা পুরসভার আওতায় আসে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ৩০ জন করে সাফাইকর্মী নিয়োগ করেছে পুরসভা। এঁরা জঞ্জাল অপসারণের পাশাপাশি ঝাঁটও দেবেন। বিভিন্ন জায়গায় জঞ্জাল ফেলার পাত্রও রাখা হয়েছে। বাসিন্দাদের ওই পাত্রগুলিতে জঞ্জাল ফেলতে বলা হয়েছে। এই পাত্রগুলি থেকে পুরসভার গাড়ি জঞ্জাল সংগ্রহ করে সরাসরি ধাপায় নিয়ে যায়। যদিও বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, এখানে নিয়মিত আবর্জনা সরানো হয় না। যেখানে-সেখানে জঞ্জাল ছড়িয়ে থাকে। পুরকর্তৃপক্ষ অবশ্য জানান, নির্দিষ্ট সময়ে কাজ হয়। তার পরেও কেউ আবর্জনা ফেললে কিছু করার থাকে না। তাই বড় বিন বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি পুরসভার জঞ্জাল দফতরের আধিকারিকরা এই এলাকা পরিদর্শন করেন। তাঁরা জানান, স্থানীয় বরো চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলররা এলাকায় বড় বিন রাখার জন্য যে সব জায়গা চিহ্নিত করবেন সেখানেই এই বিন বসানো হবে।