E-Paper

তহবিল নিয়ে কুণালের পাল্টা খোঁচা বিদ্রোহীদের

দল, দলের প্রতীক ও তহবিল নিয়ে টানাপড়েনে গত কয়েক দিনে চূড়ান্ত সঙ্কট তৈরি হয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। বিশেষ করে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকার তহবিল নিয়ে দলের একাংশ প্রশ্ন তোলায় আইনি সমস্যার আশঙ্কাও করছে কালীঘাট।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ০৭:৩৪
কুণাল ঘোষ।

কুণাল ঘোষ। — ফাইল চিত্র।

দলের তহবিল নিয়ে তোলা প্রশ্নের জবাবে বিদ্রোহী বিধায়কদের পাল্টা প্রশ্নে ফেলতে চাইল তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় তহবিলে দুর্নীতির টাকা গিয়েছে কি না, এই প্রশ্ন তুলে পুলিশি তদন্ত চেয়েছিলেন তৃণমূলের ১০ বিদ্রোহী বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন স্থগিত হয়ে যাওয়ার পরে সেই তহবিলের সঙ্গে বিদ্রোহীদের যোগ প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় নেমে পড়লেন দলীয় নেতৃত্ব।

দল, দলের প্রতীক ও তহবিল নিয়ে টানাপড়েনে গত কয়েক দিনে চূড়ান্ত সঙ্কট তৈরি হয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। বিশেষ করে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকার তহবিল নিয়ে দলের একাংশ প্রশ্ন তোলায় আইনি সমস্যার আশঙ্কাও করছে কালীঘাট। এই অবস্থায় তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য কুণাল ঘোষ রবিবার প্রশ্ন তুলেছেন, “যে বিধায়কেরা দলের অর্থের উৎস জানতে চেয়ে পুলিশকে চিঠি দিয়েছেন, তাঁরাও নির্বাচন লড়েছেন দলীয় তহবিলের টাকায়।” সেই সূত্রে দলের বিদ্রোহী বিধায়কদের দুই নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, “পার্টির টাকায় নির্বাচন লড়ে পার্টিকে কালিমালিপ্ত করতে লজ্জা করল না? পার্টির টাকা খারাপ হলে তা নিলেন কেন?” ঋতব্রত অবশ্য কুণালের এই প্রশ্নকে আমল দিতে চাননি। তাঁর কথায়, “সকলেই তো দলের টাকায় নির্বাচন লড়েছেন। তৃণমূলের সব প্রার্থীর মতো আমিও লড়েছি। তার উৎস কী, সে জবাব তো প্রার্থীরা দিতে পারবেন না।” কুণাল অবশ্য নিজেও বলেছেন, “আমার নিজেরও তহবিল বা সম্পদ নিয়ে কোনও ধারণা নেই। তবে দলের টাকা নিয়ে এই বেইমানি চলতে পারে না।” আজ সোমবার রাজ্যের নতুন সরকারের প্রথম বাজেটের আগে বিরোধী শিবিরের তরজাই রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য হয়ে রয়েছে।

বিরোধী দলের দুই ভাগে এই টানাপড়েনে অবশ্য বাজেট অধিবেশনে কিছুটা স্বস্তিতেই রয়েছে শাসক শিবির। ৮০ জন বিধায়ক থাকলেও বিধানসভার ভিতরে এখনও বিভাজিত বিরোধীদের থেকে কোনও ‘বিপদ’ দেখছে না তারা। বিজেপির এক নেতার কথায়, “ভোটের পর থেকে বিরোধী শিবিরের যে চেহারা তৈরি হয়েছে তা থেকে পরিষ্কার, তারা সরকারের বদলে নিজেদের বিরোধিতায় বেশি ব্যস্ত থাকবে।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

TMC Kunal Ghosh

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy