‘এসআইআর ক্ষতিগ্রস্ত’দের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। — ফাইল চিত্র।
এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর তৃণমূলের ‘রণকৌশল’ কী হবে? মমতার জবাব, ‘‘আমরা এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাব।’’
মমতার প্রশ্ন, ‘‘বাংলাকে আলাদা করে টার্গেট করা হচ্ছে।’’
মমতার দাবি, ‘‘বাংলা বললেই বাংলাদেশি বলে তকমা দেওয়া হচ্ছে।’’
মমতার অভিযোগ, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূলের তথ্যচুরি করছে। দলীয় নেতাদের জেলে ভরে দিচ্ছে।
মমতা বলেন, ‘‘আমরা এখন সব দরজায় কড়া নাড়ছি। সংবাদমাধ্যমও গণতন্ত্রের একটা স্তম্ভ। এসআইআরে আক্রান্তদের নিয়ে এসেছি। আপনারাই দেখুন তাঁদের অবস্থা।’’
মমতা বলেন, ‘‘অমর্ত্য সেন, জয় গোস্বামীর মতো ব্যক্তিত্বকে এসআইআর নোটিস পাঠাচ্ছে কমিশন। ভাবতে পারেন!’’
দিল্লি থেকে বিজেপি এবং কমিশনকে একযোগে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন মমতা। তাঁর চ্যালেঞ্জ, ‘‘সাহস থাকলে রাজনৈতিক এবং গণতান্ত্রিক ভাবে লড়াই করুন।’’
মমতার কথায়, ‘‘ভবানীপুরে ৪০ হাজার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বিজেপির বিধানসভা কেন্দ্রে কম নাম বাদ যাচ্ছে। কিন্তু তৃণমূলের বিধানসভা কেন্দ্রে ৮০ হাজার, এক লাখের মতো নাম বাদ দিতে চাইছে কমিশন।’’
বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠকে সীমা খন্নার প্রসঙ্গ তুললেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, সীমা খন্না এআই ব্যবহার করে নাম বাদ দিচ্ছেন! সীমা কে? মমতার দাবি, বিজেপির কর্মী সীমা। তাঁকে দিয়ে কাজ করাচ্ছে কমিশন।
সাংবাদিক বৈঠকের শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মমতা। দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে এসআইআর করে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে।
মমতা বলেন, ‘‘দিল্লি সংবাদমাধ্যমের তো জানার কথা নয়, বাংলায় কী ঘটছে!’’
‘এসআইআরে ক্ষতিগ্রস্ত’দের হাতে প্ল্যাকার্ড। এসআইআর বিরোধী স্লোগান লেখা তাতে।
দিল্লির বঙ্গভবনে কিছু ক্ষণের মধ্য়েই শুরু হবে সাংবাদিক বৈঠক। সেই বৈঠকে মমতার সঙ্গে থাকবেন ‘এসআইআর ক্ষতিগ্রস্ত’রা।
জীবিত হলেও নির্বাচন কমিশনের খাতায় ‘মৃত’, এমন ৫০ জন ভোটারকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছে তৃণমূল। এ ছাড়া, নিয়ে যাওয়া হয়েছে আরও ৫০ জনকে যাঁদের পরিবারের কোনও না কোনও সদস্য ‘এসআইআর-এর কারণে’ মারা গিয়েছেন। দিল্লি বঙ্গভবনে রয়েছেন তাঁরা।মঙ্গলবার দুপুর ২টোর পর সেখানে পৌঁছোলেন মমতা। ‘এসআইআরে ক্ষতিগ্রস্ত’দের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সোমবারের মতো মঙ্গলবারও তাঁদের গায়ে রয়েছে কালো চাদর। সাধারণ ভাবে প্রতিবাদের প্রতীক হিসাবে কালো পোশাক ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
সোমবার দিনভর দিল্লি পুলিশের ‘নজরদারি’ ও ‘অতিসক্রিয়তা’র অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সরাসরি কাঠগড়ায় তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই আবহেই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেয় নবান্ন। দিল্লিতে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অতিথিশালা বঙ্গভবনের নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং সেখানে থাকা ‘এসআইআরে ক্ষতিগ্রস্ত’দের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কলকাতা থেকে রাজ্য পুলিশের একটি বিশেষ দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সোমবারই সেই দল দিল্লি পৌঁছেছে।
মমতা অভিযোগ করেন, বৈঠকে তাঁরা যা প্রশ্ন করেছেন তার কোনও সদুত্তর মেলেনি। দুর্ব্যবহারের অভিযোগও করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে বৈঠকের কিছু ক্ষণ পরই কমিশন বিবৃতি জারি করে জানায়, তারা সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে। তার পরেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করে কমিশন। তারা জানায়, আইনের শাসন বজায় থাকবে। কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেয়, তবে কমিশনের হাতে থাকা আইনগত ক্ষমতা এবং সংবিধান অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দিল্লিতে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর নিয়ে রাজধানীতে প্রতিবাদে সরব তিনি। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদেরা। সোমবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে একদফা ‘সংঘর্ষে’ জড়ান মমতা। দিল্লির নির্বাচন সদনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ অন্য কমিশনারদের সঙ্গে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের বৈঠক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটিও হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মমতা কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়ান। মমতা দাবি করেন, বৈঠকে তাঁদের অপমান, অসম্মান করা হয়েছিল। তাই মাঝপথেই বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy