শুক্রবার মেদিনীপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
অভিষেক বলেন, ‘‘যদি বলতাম বদল হয়েছে, বদলাও হবে, আজ সুকুর আলি, তপন ঘোষ, যারা ভাষণ দিচ্ছে বিজেপির হয়ে, তাদের খুঁজে পাওয়া যেত না। বেনাচাপড়ায় ওরা তৃণমূলকর্মীদের পুঁতেছে, ছোট আঙারিয়ায় বাড়িতে গিয়ে জ্বালিয়েছে, সবংয়ে পুকুরে বিষ দিত। বাড়িতে সাদা থান পাঠাত, জ্বালিয়ে দিত, আমরা সেই সংস্কৃতি বন্ধ করেছি। এটাই পরিবর্তন। নরেন্দ্র মোদী থেকে অমিত শাহ ২০১১ সালের আগে কত বার এসেছে? মানুষকে মাথা নিচু করে বাঁচতে হত। ঝাড়গ্রামের বিরবাহা রয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারে সবচেয়ে বড় সাফল্য হল, এই এলাকায় রাস্তায় দেহ পড়ে থাকত রোজ, সেই জঙ্গলমহলকে শান্ত করেছেন। যাদের ৫০-এর বেশি বয়স, তারা মনে রেখেছে কেশপুরের অত্যাচার। চন্দ্রকোনায় পতাকা লাগাতে দিত না। সুশান্তের নেতৃত্বে পরিবর্তন! নীচে জল্লাদ, উপরে গদ্দার! ঝাড়গ্রাম আগের বারও ৪-০। এ বারও হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর মিলিয়ে ১৯-০ হবে। আবার আসব। সব বিধানসভায় যাব। বিজেপি-কে শূন্য করার দায়িত্ব আপনাদের। কথা দিচ্ছেন তো?
অভিষেক বলেন, ‘‘যাদের পাট্টার সমস্যা ছিল, আমি গিয়ে দেখা করি। অজিতদার বিধানসভায়। আমি করে দিয়েছি। যা পারব, তা-ই করি। যেখানে আশীর্বাদ করেছেন, সব জায়গায় জোড়াফুলকে শক্তিশালী করতে হবে। সিপিএমের হার্মাদেরা যাতে চোখে সর্ষেফুল দেখে। বুথ রক্ত দিয়ে রক্ষা করতে হবে। বাড়ি বাড়ি ১০ বার যাবেন। অধিকার কেড়ে শিক্ষা দিতে চেয়েছে। গণতান্ত্রিক ভাবে জবাব দেব। এত ষড়যন্ত্রও রুখতে পারছে না তৃণমূলকে। ব্রিটিশদের তাড়িয়েছেন, বিপ্লবীদের রক্তে ভেজা মাটি। এ বারও রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজবে। যেখানে কর্মীদের ইচ্ছাকে মান্যতা দিয়ে ডিজেও বাজতে পারে। বিজেপির হার্মাদদের বলছি, সুকান্তের ভাষায়, সব পাপের হিসাব হবে। তালিকা ছিল, নাম পড়েছি। আগামী দিনে হিসাব হবে। মানুষ প্রতিরোধের রাস্তা বেছে শিক্ষা দেবে। এটা প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, শিক্ষা দেওয়ার, মেদিনীপুরকে হার্মাদশূন্য করার ভোট। তৃণমূলই একমাত্র বিজেপিকে হারাতে জানে। রাষ্ট্রপতিও এসে জয় বাংলা বলেছেন। নড্ডাকে বাধ্য করেছি জয় বাংলা বলতে। সোনার বাংলা গায় বলে অসমে যারা অপমান করে, তাদের শিক্ষা দেওয়ার নির্বাচন। বাংলায় কথা বললে আমাদের জেলে পাঠালে সুকান্ত, শুভেন্দু, শমীক, দিলীপেরা কেন জেলে যাবে না। জি-জি বেশি করে। যোগীদি, অমিতজি, শিবরাজজি। আর বলে মমতা। আমি প্রধানমন্ত্রীকে নাম ধরে ডেকেছি? ডাকলে জিভ খসে যাবে। এটাই সংস্কৃতি।’’
অভিষেক বলেন, ‘‘আপনাদের দাবি, আশা, আমি তার সঙ্গে সহমত পোষণ করি। কিন্তু সংবিধান রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া মেনে কাজ করতে গয়। নাম বলব না, বিজেপির ২ জন বিধায়ক। ২ জনই তৃণমূলে আসতে চেয়েছে। আপনাদের দাবিতে মান্যতা দিয়ে দরজা বন্ধ করে রেখেছি। শীতলকপাটের ইতিহাস, যাদের বয়স ৪৫-৫০, তারা জানে। সিপিএমের হার্মাদ, বিজেপির জল্লাদ হয়েছে। তৃণমূলের সম্পদ হবে না। আমরা যত দিন আছি, হবে না। অজিত মাইতির সঙ্গে হিরণ আমার দফতরে এসেছিল, দেখেছেন তো! নিইনি। আপনাদের দাবিতে মান্যতা দিয়ে। এ বার খড়্গপুরে তৃণমূলকে জেতাতে হবে। বিজেপিকে সুযোগ দিয়েছেন। পাঁচ বছর সাংসদ ছিল। কিছু পাননি। আপনাদের অধিকার বন্ধ করে রেখেছে। আবাস, জলের টাকা বন্ধ।’’
অভিষেক বলেন, ‘‘বাংলা আর গুজরাতের নিয়ম আলাদা। আমাদের বাংলাদেশি বলত। চার কোটি নাম বাদ গিয়েছে উত্তরপ্রদেশ থেকে। ৮০ লক্ষ নাম বাদ গুজরাতে। তা হলে রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি কোথায় থাকে? এদের কে ঢুকিয়েছে গুজরাতে, উত্তরপ্রদেশে? মোদীর সরকার। বিজেপির নেতাদের ক্ষমতা হবে উত্তর দেওয়ার? মমতা থাকতে এনআরসি হবে না। বাংলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একটা নামও বাদ যাবে না। সুকান্তের এলাকায় মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়েছিল। তাকে ফিরিয়ে এনেছে অভিষেক। এদের নির্বাচনের পরে দেখতে পাবেন না। মেদিনীপুরের ক্ষমতা, শক্তি দেখাতে হবে। এই মেদিনীপুর সিপিএম অপশাসনের অবসান ঘটিয়েছিল। সুশান্ত ঘোষ প্রাক্তন।’’
অভিষেক বলেন, ‘‘আজও খবর পেয়েছি, কাঁথির একটা ছেলেকে, বাংলাদেশি বলে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি ছেলেকেও পাঠিয়ে দিয়েছে। আমরা এদের ছাড়ব? ৭০-৮০ বছর বয়সি বাঙালিকে লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম ভরে পরিচয় দিতে হবে? প্রমাণ করতে হবে বাঙালিকে? এই মাটি ব্রিটিশকে তাড়িয়েছিল। লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করতে এসে ১৯১১ সালে লেজ তুলে পালিয়েছিল। মোদী-শাহ কোন ছাড়! বাংলার মানুষকে আশ্বস্ত করছি, কেউ চিন্তা করবেন না, আমরা আছি। কারও নাম ভোটাধিকার তালিকা থেকে বাদ যাবে না। তৃণমূল যা করার করবে। এসআইআর-কে কেন্দ্র করে ৮৩ জন আত্মঘাতী। বিএলও-রা বয়কট করছে। অমানবিক কাজের চাপ। মানুষ তো। প্রশিক্ষণ ছাড়া বলছে ৩০০ নাম যাচাই করে এসো। দিল্লির বাবাদের চাকর! কী পেয়েছে? ওরা মানুষ! ২ বছরে যা করা উচিত, ২ মাসে করছে।’’
অভিষেক বলেন, ‘‘কোনও বুথে কেউ আইন বহির্ভূত কাজ করছেন দেখলে বিজেপির বড়-ছোট নেতার বাড়ি ঘেরাও করুন। আমাকে ডাকবেন, আমি যাব। আপনার পাশে দাঁড়াব। বাংলার মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র। আগে জল, বাড়ির টাকা বন্ধ করত। এখন ভোটাধিকার কাড়ছে।’’
অভিষেক বলেন, ‘‘জ্ঞানেশের জন্য বাংলায় নতুন প্রকল্প চালু করতে হবে। ছানিশ্রী। ছানি কাটাতে হবে। ১২ বছর ক্ষমতায়, তারও বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিয়েছে? একটা স্বাস্থ্যকেন্দ্র করেছে? এদের রেখে দিলে আলসার, বাড়তে দিলে ক্যানসার। যোগ্য জবাব দিতে হবে মেদিনীপুরের মানুষকে। বঞ্চনা, শোষণ। আপনাদের অবদান অনস্বীকার্য। ২০২৬ সালে ১৫-০ করতে হবে। ’’
অভিষেক বলেন, ‘‘আজকের সভাতেও তিন জনকে হাজির করাব। জীবিত লোককে মৃত দেখিয়েছে। কমিশনের গায়ে জ্বালা হচ্ছে। অভিষেক নিজের সভায় কী করে এঁদের উপস্থিত করছে? আরও এক জনকে করতাম, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। তাঁর আজ সন্তান হবে। শাহ, জ্ঞানেশ কুমারদের নির্দেশে জীবিতদের মৃত দেখাচ্ছে, যাতে তাঁরা ভোট দিতে না পারেন। কারও ভোটাধিকার যেন কাড়া না হয়। দেখতে হবে। বিজেপির ক্ষমতা থাকলে হার্মাদগুলোকে বার করুক, যাঁদের নাম করলাম।’’
অভিষেক বলেন, ঘাসপাড়ায় ২০০-র বেশি পরিবার রয়েছে। তারা বাংলাদেশ থেকে এসেছে। এসআইআর চলাকালীন ক’জন বিজেপি নেতা খোঁজ নিয়েছে তাদের, প্রশ্ন অভিষেকের।
অভিষেক বলেন, ‘‘ড্রেজিং, স্লুইস গেট। নতুন জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। এই নিয়ে বিজেপির নেতা ভুল বোঝাচ্ছে। যা কথা দিই, কথা রাখি। মোদী সরকারের অবদান নেই। কারা উন্নয়ন শেখাবে, যারা আমাদের বাংলাদেশি বলে দাগিয়েছে?’’
অভিষেক বলেন, ‘‘১২ বছর বিজেপির সরকার ক্ষমতায়। ক’পয়সা দিয়েছে ঘাটালের জন্য? খড়্গপুরের জন্য? ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান— দীর্ঘ দিন ধরে দেব একাধিক বার সংসদে বলেছে, সরব হয়েছে, দাবি করেছে। আমি গত বছর ঘাটালে এসে মানুষকে কথা দিয়েছিলাম, যে প্ল্যান হবে। ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে আমাদের সরকার। ২০২৫ সালে কাজ শুরু হয়েছে। কেউ করলে আমাদের সরকারই করবে। তিন চার বছরের মধ্যে কাজ শেষ হবে। মোদী করেনি। এদের কাছে আশাও করি না। ’’
অভিষেক বলেন, ‘‘এই বাংলা ঝুঁকবে না। আমাদের রাস্তা, জল, সর্বশিক্ষা মিশন, বাড়ির টাকা আটকেছে। আমাদের সরকার আবাস যোজনায় বাড়ি দিয়েছে। আগামী ১৫ দিনে আমাদের সরকার ২০ লক্ষ মানুষকে বাড়ি দেবে। মোদী দিক বা না দিক। তোমাদের দয়ায় বাংলার মানুষ বেঁচে নেই। মায়েরা শুনুন, যত দিন মমতা আছেন, আপনার লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করতে পারবেন না।’’
অভিষেক বলেন, ‘‘১০টার বেশি কোনও ফর্ম বৈধ ভাবে জমা দেওয়া যায় না। ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল গতকাল। সময়সীমা বাড়িয়ে ১৯ তারিখ করা হয়েছে। যারা বুথে রাজনীতি করো, মন দিয়ে শোনো, যদি কোনও বিজেপির নেতা ইআরও-র দফতরে ১০টার বেশি ফর্ম জমা দিতে আসে, তা হলে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও শুনিয়ে দিয়ো। ’’
অভিষেক বলেন, ‘‘আপনারা ভয় দেখাবেন আমাদের? এক দিকে ইডি, এক দিকে ইসি? দু’দিন আগে বাঁকুড়ায় গাড়ি ধরা পড়েছে। ১০ হাজার ফর্ম-৭। তৃণমূলের ভোটারদের চিহ্নিত করে বিজেপি নেতারা গিয়েছিল ইআরও-র কাছে ফর্ম জমা দেবে বলে, যাতে এঁদের তালিকা থেকে নাম বাদ যায়। গত কাল কলকাতায় রুখেছি। ’’
অভিষেক বলেন, ‘‘বিজেপির সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করতে চায়। এই মেদিনীপুরে জন্ম বিদ্যাসাগরের। তাঁর মূর্তি কে ভেঙেছে? অমিত শাহ। আজ তিনি না থাকলে মোদী, শাহ নিজের নাম লিখতে পারতেন? রবীন্দ্রনাথ সান্যাল বলেন। বিজেপির চাটুকারিতা যারা করেন, তাঁরা নাম লিখতে পারতেন বিদ্যাসাগর না থাকলে? নেতাজি না থাকলে ব্রিটিশদের ভিত নড়িয়ে দেওয়ার মতো বাঙালি পেতেন না । সতীদাহ প্রথা রোধ করেছিলেন রামমোহন। বিজেপি নেতারা তাকে ব্রিটিশের দালাল বলেন। আজ তিনি না থাকলে আমার-আপনার মাকে বাবাদের চিতায় ঝলসে মরতে হত। মমতা ব্যানার্জি না থাকলে, পরিবর্তন না হলে আজও সুশান্ত ঘোষের বন্দুকের নীচে বেঁচে থাকতে হত।’’
অভিষেক বলেন, ‘‘কোনও নেতার ক্ষমতা থাকে তো তথ্য সামনে রেখে লড়াই হবে। এক দিনে মমতা ব্যানার্জির সরকার, অন্য দিকে মোদীর সরকার। আপনি সময়, সংবাদমাধ্যম বেছে নিন। এক দিকে আমি থাকব। অন্য দিকে বিজেপির নেতা। ভোকাট্টা করব। নয়তো মানুষকে মুখ দেখাব না। ’’
অভিষেক বলেন, ‘‘ মেদিনীপুরে যদি কোনও বুথে, কোনও বিধানসভায় বিজেপির কোনও নেতা লিড পায়, তা হলে এই সিপিএমের হার্মাদগুলিকে অক্সিজেন দেওয়া হবে। এটা মাথায় রাখতে হবে। যারা আমাদেরকে পরিবর্তন চাই বলে আমাদের সরকারকে ব্যঙ্গ করছে, ৩৪ বছর মানুষকে অত্যাচার করেছে, আজ তারা বিজেপির নেতা! বোতল নতুন, মদ পুরনো। জার্সি পাল্টেছে। আগে সিপিএমের হার্মাদ ছিল, আজ বিজেপির জল্লাদ।’’
অভিষেক বলেন, ‘‘আজ বিজেপিতে কারা রয়েছে? শালবিতে দেবাশিস রায়, যে সুশান্ত ঘোষের অফিস দেখাশোনা করত। সে বিজেপির বুথ সভাপতি। কেশপুরে তন্ময় ঘোষ। সে সিপিএমের ব্লকের সভাপতি। এখন বিজেপির জেলা কমিটির মেম্বার। তন্ময় ঘোষের ভাই সুবীর ঘোষ, যে দাদাকে টপকে যায়। তড়িৎ খাটুয়া বেনাচাপড়া হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত। এখন বিজেপি নেতা। মহাদেব প্রামাণিক সিপিএমের প্রাক্তন যুব নেতা, বেনাচাপড়া খুনের অন্যতম অভিযুক্ত, এখন বিজেপির কার্যকর্তা। চন্দ্রকোণায় সুকান্ত দলুই, ঘাটালের বিধায়ক নিজেই রয়েছে, শীতল কপাট। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক সন্ত্রাস, হত্যার এফআইআর হয়েছে। মেদিনীপুরের সুকুর আলি, নাম মনে আছে? তার ছেলে হাসরাফ আলি, মেদিনীপুর শহরের নেতা। গড়বেতার তপন ঘোষ, সুশান্তের ডান হাত এখন বিজেপিকে মদত দেয়। মেদিনীপুরে এই হল বিজেপির চেহারা।’’
অভিষেক বলেন, ‘‘বিজেপির মডেল পশ্চিম মেদিনীপুরে কী? নীচে সিপিএমের হার্মাদ আর উপরে বিজেপির গদ্দার, যারা এক সময় সিপিএম করে বাংলার হাজার হাজার মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত করে। এই মেদিনীপুরের মাটিতে গত ২৫ বছরে কংগ্রেস, পরে তৃণমূলের কর্মীদের অত্যাচার করেছে। পুকুরে বিষ, ঘরবন্ধ, ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া। আমরা সে সব দেখেছি।’’
অভিষেক বলেন, ‘‘মেদিনীপুরের মাটির ইতিহাস নতুন করে মনে করানোর দরকার নেই। যেখানে সভা করছি, এই কলেজ মাঠে, যাঁরা ছাত্র ছিলেন কলেজের, সেই দীনেশ গুপ্ত, প্রদ্যুৎকুমারেরা স্বাধীনতা আন্দোলনে নিজেদের জীবন দেন। ২০২০ সালে এই মেদিনীপুরের মাটিতে একই মাঠে এক জন গদ্দার মোদীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদলেহন করে, নিজের জেলযাত্রা বাঁচানোর জন্য পায়ে হাত দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করে।’’
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy