(বাঁ দিকে) রাজারহাটের বৈঠকস্থলে বিজেপির প্রতিনিধিরা। বৈঠক থেকে বেরিয়ে সিপিএমের প্রতিনিধিদল (ডান দিকে)। সোমবার। —নিজস্ব চিত্র।
এক দফায় ভোটের দাবি জানিয়েছে সিপিএম। সর্বোচ্চ দু’দফায় ভোট করানো হলেও তাদের আপত্তি নেই। এসআইআর নিয়ে কমিশনের বৈঠকে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে সিপিএমের প্রতিনিধিদল। সেলিম বেরিয়ে বলেন, ‘‘আমরা জানতে চেয়েছি কমিশন একটা ভোটার তালিকা তৈরি করতে গিয়ে মানুষকে শত্রু বানাল কেন? মানুষের বিরুদ্ধে কেন যুদ্ধ ঘোষণা করল? কেন নির্বাচন কমিশন হয়ে গেল নির্যাতন কমিশন? ভোটের আগে তো তাদের নিজেদের সম্মান বজায় রাখতে হবে।’’
কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর সিপিএমের প্রতিনিধিরা। —নিজস্ব চিত্র।
বিজেপির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে এসআইআর নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। কেবল নির্বাচনের পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এসআইআর নিয়ে আমরা আলোচনা করিনি। সুপ্রিম কোর্টে এ বিষয়ে মামলা আছে। আদালত যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা মানতে বাধ্য। আজ বৈঠকে শুধু ভোট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের অসন্তোষের কথা জানিয়েছি।’’
বৈঠকের পর বেরিয়ে তাপস রায় বলেন, ‘‘এত রাজ্যে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট হয়নি। কমিশনের দায়িত্ব এই রাজ্যে গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করা। মমতা এবং তাঁর দলবল এখনও ভয় দেখাচ্ছে। জ্ঞানেশ কুমারের আঙুল কাটা মানে তো সংবিধানেরই আঙুল কাটা! তৃণমূলের এত বড় আস্পর্ধা হয়েছে! আমরা হিংসামুক্ত, ভয়মুক্ত, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই।’’
শিশির বাজোরিয়া বলেন, ‘‘রাজ্য পুলিশের ভূমিকায় আমরা অসন্তুষ্ট। তা কমিশনকে জানিয়েছি। আমরা চাই, প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় ভোট হোক। ওয়েব ক্যামেরা থাকুক। কোথাও ক্যামেরা খারাপ হয়ে গেলে ভোট বন্ধ রাখতে হবে অথবা পুনর্নির্বাচন করাতে হবে। বুথে ঢোকার আগে সকলের পরিচয় যাচাই করতে হবে। কোনও পুলিশ বা দলের এজেন্ট সেখানে থাকবেন না। হিংসামুক্তস, শান্তিপূর্ণ ভোট করানো কমিশনের লক্ষ্য। আমরা বলেছি, আমরা তাতে সব সহায়তা করব।’’
কমিশনের ফুল বেঞ্চের কাছে ১৬ দফা দাবি জানিয়ে এসেছে বিজেপির প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদ্ব্যবহার থেকে শুরু করে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা, রিগিং ঠেকানোর মতো দাবি রয়েছে সেই তালিকায়।
তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের আঙুল কেটে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। সোমবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকেও তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিজেপি। তারা চায়, এই মন্তব্য নিয়ে জ্ঞানেশ এফআইআর করুন। সে কথা কমিশনারকে জানিয়ে এসেছেন দলের প্রতিনিধিরা।
কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলও রাজারহাটে পৌঁছেছে। এসেছেন আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, প্রদীপ ভট্টাচার্যেরা। আর কিছু ক্ষণের মধ্যেই কমিশনের সঙ্গে তাঁদের বৈঠক শুরু হবে।
রাজারহাটের বৈঠকস্থলে কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল। —নিজস্ব চিত্র।
তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য রাজীব কুমার কমিশনের বৈঠকস্থলে প্রবেশ করেছেন।
সিপিএমের প্রতিনিধিরাও কমিশনের বৈঠকস্থলে প্রবেশ করেছেন। দলের রাজ্য় সম্পাদক মহম্মদ সেলিম ছাড়াও রয়েছেন আফ্রিন বেগম এবং শমীক লাহিড়ী।
সোমবার নির্বাচন কমিশনের বৈঠকস্থলে সিপিএমের প্রতিনিধিরা। —নিজস্ব চিত্র।
তৃণমূলের তরফে কমিশনের বৈঠকে যাবেন ফিরহাদ হাকিম, রাজীব কুমার এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
বিজেপির প্রতিনিধিরা বৈঠকস্থলে ঢুকলেন। রয়েছেন শিশির বাজোরিয়া, তাপস রায় এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের আগে বিজেপির প্রতিনিধিদল। —নিজস্ব চিত্র।
সোমবার সকাল থেকে বৈঠকে বসবেন জ্ঞানেশরা। প্রথমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক হবে। আলোচনা হবে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গেও।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy