Advertisement
E-Paper

পড়াটা শেষ হবে তো, চিন্তায় সুমনের মা

চিকিৎসার অভাবে চার বছর বয়সেই বাবাকে হারিয়েছে সে। মা একশো দিনের কর্মী আ অবসরে রুপোর গহনা তৈরি করেন। অভাবের সংসারে হাল ছাড়েনি সুমন। তাই অভাবের বিরুদ্ধে লড়েই দাসপুরের দাদপুর হাইস্কুলের সুমন শাসমল পেয়েছে ৬২৬ নম্বর।

অভিজিৎ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: ১২ মে ২০১৬ ০১:৩৩
সুমন শাসমল।

সুমন শাসমল।

চিকিৎসার অভাবে চার বছর বয়সেই বাবাকে হারিয়েছে সে। মা একশো দিনের কর্মী আ অবসরে রুপোর গহনা তৈরি করেন। অভাবের সংসারে হাল ছাড়েনি সুমন। তাই অভাবের বিরুদ্ধে লড়েই দাসপুরের দাদপুর হাইস্কুলের সুমন শাসমল পেয়েছে ৬২৬ নম্বর। ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চায় সে। বাড়িতে ছাত্র পড়িয়েই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগোতে চাই বছর ষোলোর ওই ছাত্রটি।

দাসপুরের গোপালনগর গ্রামের বাসিন্দা সুমনের যখন চার বছর তখনই বাবা মারা যান। সংসারের হাল ধরেন শ্যামলীদেবী। অন্যের জমিতে ধান কাটার কাজ শুরু করেন তিনি। সুমনের কথায়, “ভাবছি টিউশনি পড়িয়ে নিজেও পড়ব এবং সংসারের হালও ধরব।”

এত কষ্ট করে ভাল ফল স্কুল পাশেই রয়েছে সুমনের। দাদপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বপন খাঁড়া বলেন, “আমরা একাদশ শ্রেণির ভর্তির খরচ স্কুল থেকেই বহন করব।’’ সুমনের প্রাপ্ত নম্বর বাংলায় ৮২, ইংরাজিতে ৭৪, অঙ্কে ৯৬, পদার্থবিদ্যায় ৯৬, জীবনবিজ্ঞানে ৯৮, ইতিহাসে ৯০ ও ভূগোলে ৯০। ছেলের এত ভাল ফল অবশ্য চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে সুমনের মার। বলেন, ‘‘ছেলেটা বলছে টিউশনি পড়িয়েই নিজেই পড়বে সঙ্গে সংসারও চালাবে। কী পাগল ছেলে বলুন তো।”

Education mother
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy