Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

৩০ জুন ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

স্বামীর বদলি, ইস্তফা তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের

বিডিও-র কাছে ইস্তফাপত্র দিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চাইলেন তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত প্রধান। ঝাড়গ্রাম ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত মানিকপাড়া গ্রাম পঞ্চায়

নিজস্ব সংবাদদাতা
ঝাড়গ্রাম ০৯ এপ্রিল ২০১৫ ০০:১১
Save
Something isn't right! Please refresh.
Popup Close

বিডিও-র কাছে ইস্তফাপত্র দিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চাইলেন তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত প্রধান। ঝাড়গ্রাম ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত মানিকপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মৌমিতা মাহাতোর ইস্তফাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিডিও-র কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন মৌমিতাদেবী। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে তাঁর পক্ষে প্রধানের দায়িত্ব পালন আর সম্ভব নয় বলে ইস্তফাপত্রে জানিয়েছেন তিনি। ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার পর থেকে মৌমিতাদেবী নিজেকে ধরা ছোঁয়ার বাইরে রেখেছেন। মঙ্গলবার বিকেল থেকে তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ রয়েছে। প্রধানের এমন কাণ্ডে অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দল তৃণমূল।

ঝাড়গ্রামের বিডিও অনির্বাণ বসু বলেন, “প্রধানের পদত্যাগপত্রটি পেয়েছি। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে তিনি প্রধান পদ থেকে অব্যহতি চেয়ে আমার কাছে ইস্তফাপত্র দিয়েছেন। ইস্তফা গ্রহণের জন্য পঞ্চায়েত আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হচ্ছে।”

মৌমিতাদেবীর পরিবার সূত্রের অবশ্য দাবি, সম্প্রতি তাঁর স্বামী রেলে চাকরি পেয়ে হাওড়ায় চলে যাচ্ছেন। তিনিও স্বামীর সঙ্গে হাওড়ায় থাকবেন বলে ঠিক করেছেন। সেই কারণেই মৌমিতাদেবী প্রধানের দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু বিডিওর-র কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পরে মৌমিতাদেবী যেভাবে অন্তরালবর্তী হয়ে গিয়েছেন, তাতে ইস্তফার কারণ নিয়ে স্থানীয় মহলে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। যদিও মানিকপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান নন্দলাল মাহাতোর দাবি, “এলাকায় না থাকলে প্রধানের গুরুদায়িত্ব পালন সম্ভব নয়। এলাকাবাসীকে ঠিকমতো পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হয়। তাই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণেই মৌমিতাদেবী ইস্তফা দিয়েছেন। মৌমিতাদেবী প্রধান পদ থেকে অব্যহতি নিলেও পঞ্চায়েতের সাধারণ সদস্য হিসেবে তিনি থাকবেন। এবং পঞ্চায়েতের সভা-বৈঠকে নিয়মিত যোগও দেবেন।”

Advertisement

বিরোধীরা অবশ্য বলছেন, শাসক দলের প্রথা ভেঙে উন্নয়নের প্রশ্নে বিরোধী সদস্যদেরও গুরুত্ব দিচ্ছিলেন মৌমিতাদেবী। যার ফলে, দলের মধ্যে তাঁকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। ফলে, এই পদত্যাগের পিছনে অন্য কারণ থাকার সম্ভবনা রয়েছে বলে মনে করছে বিরোধী শিবির। স্থানীয় সূত্রের খবর, সম্প্রতি ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের উন্নয়ন তহবিলের খরচ নিয়ে শাসক দলের মধ্যে মধ্যে তুমুল দ্বন্দ্ব শুরু হয়। যা মেনে নিতে পারছিলেন না মৌমিতাদেবী।

তৃণমূলের ঝাড়গ্রাম ব্লক সভাপতি অনিল মণ্ডল বলেন, “বিরোধীরা মিথ্যা প্রচার করছে। মৌমিতাদেবীকে পদত্যাগ করার জন্য কোনও রকম চাপ দেওয়া হয় নি। পারিবারিক কারণে উনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। উনি পঞ্চায়েতের সদস্য থাকছেন। দলের সঙ্গেও রয়েছেন।”

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement