Advertisement
E-Paper

প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক কলেজ সভাপতি, ক্ষোভ

কেশপুর কলেজের পরিচালন সমিতির নতুন সভাপতি হলেন প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক রজনীকান্ত দোলুই। সরকার মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে রজনীকান্তবাবুর নাম কলেজে পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে পরিচালন সমিতির বৈঠকেই রজনীকান্তবাবুকে নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০০:৪৫

কেশপুর কলেজের পরিচালন সমিতির নতুন সভাপতি হলেন প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক রজনীকান্ত দোলুই। সরকার মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে রজনীকান্তবাবুর নাম কলেজে পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে পরিচালন সমিতির বৈঠকেই রজনীকান্তবাবুকে নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

তৃণমূলের একাংশ অবশ্য এতে নারাজ। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলের কয়েকজন নেতা-কর্মী এ দিন বিকেলে কলেজে গিয়ে তাঁদের আপত্তি জানিয়েও দেন। তবে এ নিয়ে মন্তব্যে নারাজ কেশপুর কলেজের অধ্যক্ষ দীপককুমার ভুঁইয়া। দীপকবাবুর কথায়, “সংবাদমাধ্যমে কিছু বলব না।” তবে রজনীকান্তবাবুর বক্তব্য, “আমি কেশপুরের চারবারের বিধায়ক। এলাকার প্রচুর উন্নয়ন করেছি। কলেজের উন্নয়নেও যথাসাধ্য চেষ্টা করব।”

আজ, শুক্রবার কেশপুর কলেজের পরিচালন সমিতির মেয়াদ ফুরনোর কথা ছিল। গত নভেম্বরে মেয়াদ শেষ হয়। পরে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশে মেয়াদ তিন মাস বাড়ে। আগে কেশপুর কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি ছিলেন চিত্তরঞ্জন গড়াই। পরিচালন সমিতির ১২ জন সদস্যের মধ্যে এ দিনের বৈঠকে ৮ জন উপস্থিত ছিলেন। কলেজের এক সূত্রে খবর, ১০ জনের থাকার কথা ছিল। কারণ, সরকার মনোনীত দু’জন প্রতিনিধির সমিতিতে থাকার কথা। কিন্তু সরকার শুধু রজনীকান্তবাবুরই নাম পাঠিয়েছে। আর ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদকের সমিতিতে থাকার কথা। তবে এ বার ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। ফলে, নতুন সাধারণ সম্পাদকও নির্বাচিত হননি।

কলেজ সূত্রে খবর, এ দিনের বৈঠকে ছিলেন না সুশান্তকুমার দোলুই এবং শুভ্রা দে সেনগুপ্ত। সুশান্তবাবু কলেজের প্রাক্তন টিচার-ইনচার্জ। আর শুভ্রাদেবী কেশপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। শুভ্রাদেবী এ দিন কলেজেই আসেননি। আর কলেজে এসেও বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন সুশান্তবাবু। সুশান্তবাবু এ নিয়ে কিছু বলতেও চাননি।

জানা গিয়েছে, এখনই পরিচালন সমিতির নতুন সভাপতি নির্বাচিত হোক, এটা চাইছিলেন না শাসক দলের একাংশ। তৃণমূল প্রভাবিত শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপার জেলা নেতা সুশান্তবাবু এবং তৃণমূল পরিচালিত কেশপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শুভ্রাদেবীর অনুপস্থিতি এই জল্পনা আরও বাড়িয়েছে। তবে তৃণমূলের জেলা সভাপতি দীনেন রায় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর সভা ছিল। তারপর দলের দু’টি অঞ্চল সম্মেলনে যোগ দিই। কেশপুরের ব্যাপারে কিছু জানি না!” দলের কেশপুর ব্লক সভাপতি সঞ্জয় পানেরও দাবি, “কলেজের ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না! বাইরে ছিলাম।”

কেশপুর কলেজের সদ্য প্রাক্তন সভাপতি চিত্তরঞ্জনবাবুরও বক্তব্য, “একজনের নাম এসেছে বলে শুনছি। না জেনে কিছু বলতে পারব না!”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy