প্রযুক্তির কল্যাণে আজকের সমাজ ব্যবস্থায় ইন্টারনেট প্রাধান্য পেলেও পাঠাগারের আলাদা গুরুত্ব আজও অপরিসীম। রবিবার বড়বানতলিয়া প্রগতি সঙ্ঘ পাঠাগারের ‘বিষ্ণু–বাসন্তী শিশু কিশোর পরিসর’ ঘরের উদ্বোধন করে এই মন্তব্য করেন বিশ্বভারতীর গ্রন্থন বিভাগের অধিকর্তা ও আনন্দ সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত সাহিত্যিক রামকুমার মুখোপাধ্যায়।
রামকুমারবাবু বলেন, ‘‘প্রত্যন্ত এলাকায় শিশু কিশোর পাঠকদের জন্য প্রগতি সঙ্ঘের এই পরিসর ঘর জ্ঞানের বিকাশে নতুন আলোকবর্তিকার কাজ করবে।’’ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ঘনশ্যাম চৌধুরী, লেখিকা ও সঙ্গীত শিল্পী সুমিতা রায় প্রধান ও বামুনিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান কল্লোল পাল।
অনুষ্ঠানের সভাপতি সুখেন্দু পাণিগ্রাহী জানান, বড়বানতলিয়া প্রগতি সঙ্ঘের পাঠাগারে শিশু ও কিশোর পাঠক পাঠিকদের জন্য পাঠাগারের সদস্য ও শিক্ষিকা তৃপ্তি পাণিগ্রাহী বিষ্ণু–বাসন্তী শিশুকিশোর পরিসর ঘরের যাবতীয় বই ও আসবাবপত্রের ব্যয়ভার বহন করেছেন। তারই ব্যয়িত অর্থে শিশু ও কিশোর পাঠক পাঠিকাদের বসার উপযোগী টেবিল, চেয়ার, বইয়ের আলমারি ছাড়াও অজস্র বই দিয়ে সমৃদ্ধ করা হয়েছে পরিসর কক্ষটি।
প্রগতি সঙ্ঘ পাঠাগারের সম্পাদক মানস নন্দ ও প্রবীণ সদস্য ও পরামর্শদাতা পীযূষকান্তি পাণিগ্রাহী জানান, কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লকের প্রত্যন্ত বামুনিয়া অঞ্চলের এই পাঠাগারটি বহু চড়াই উতরাই পেরিয়ে ৫৫ বছরে পা দিল। এ বারই সরকারি পৃৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছে।
বর্তমানে ৮৭ জন মহিলা-সহ মোট ৪২৪ জন সদস্য রয়েছেন। শিশু পাঠকের সংখ্যা ১৯১। পরে পাঠাগারের নবম বার্ষিক সাধারণ সভাও অনুষ্ঠিত হয়।