Advertisement
E-Paper

শিশু দিবসে উপহার পাঠাগার

শনিবার ছিল শিশুদিবস। আর এ দিনই ছাত্রছাত্রীদের জন্য ‘ফ্রি রিডিং রুম’ চালু হল শহর মেদিনীপুরে। উদ্যোক্তা ‘মহাতাবপুর পরিবর্তন সাংস্কৃতিক সংস্থা’। সঙ্গে শিশুদের উপযোগী সাধারণ গ্রন্থাগারও চালু হয়েছে।

বরুণ দে

শেষ আপডেট: ১৫ নভেম্বর ২০১৫ ০০:৫৫
মহাতাবপুর পরিবর্তন সাংস্কৃতিক সংস্থার পাঠাগার। — সৌমেশ্বর মণ্ডল

মহাতাবপুর পরিবর্তন সাংস্কৃতিক সংস্থার পাঠাগার। — সৌমেশ্বর মণ্ডল

শনিবার ছিল শিশুদিবস। আর এ দিনই ছাত্রছাত্রীদের জন্য ‘ফ্রি রিডিং রুম’ চালু হল শহর মেদিনীপুরে। উদ্যোক্তা ‘মহাতাবপুর পরিবর্তন সাংস্কৃতিক সংস্থা’। সঙ্গে শিশুদের উপযোগী সাধারণ গ্রন্থাগারও চালু হয়েছে। এ দিন বিকেলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন বিধায়ক মৃগেন মাইতি, পুরপ্রধান প্রণব বসু প্রমুখ।

সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শক্তিপদ দাস অধিকারী বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের জন্য কিছু করার ইচ্ছে ছিল। শহরে ‘ফ্রিং রিডিং রুম ছিল না। তাই এই উদ্যোগ।” বিবেকানন্দের উক্তি ‘দরিদ্রদেবো ভব’ তাঁদের প্রেরণা বলেও জানান শক্তিপদবাবু। সংস্থার গ্রন্থাগার বিভাগের সভাপতি নির্মলেন্দু দে জানান, পাঠ্যপুস্তকের সঙ্গে সহায়ক বইও রাখা হচ্ছে। এতে ছাত্রছাত্রীরা উপকৃত হবে। শহরের এই এলাকায় কয়েকটি বস্তি রয়েছে। সকলের সমান আর্থিক সামর্থ্য নেই। সহায়ক বই দূর, অনেকে পাঠ্যপুস্তকও কিনতে পারে না। এই পাঠাগার তাদের উপকারে লাগবে বলে মনে করছে উদ্যোক্তারা।

প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ফ্রি রিডিং রুম খোলা থাকবে। এখানে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক থাকছে। ছাত্রছাত্রীরা এসে বই পড়তে পারবে নিখরচায়। শুধু পাঠ্যপুস্তক নয়। এখানে গল্পের বইও থাকছে। কম্পিউটার-ভিডিও গেমের যুগে এর ফলে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠবে বলেও মনে করছেন উদ্যোক্তারা।

কী ভাবে গড়ে উঠল এই গ্রন্থাগার? সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের আর্থিক সহায়তায় ‘রিডিং রুম’ এবং শিশুদের মনোপযোগী গ্রন্থাগার গড়ে তোলা হয়েছে। বিধায়ক মৃগেন মাইতির মাধ্যমে সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছিল। ধাপে ধাপে রাজ্য সরকার ৪ লক্ষ টাকা দিয়েছে। গ্রন্থাগারের পরিকাঠামো উন্নয়নে শিক্ষকদের কাছেও সাহায্য চেয়েছেন উদ্যোক্তারা। শহরের প্রায় দু’শোজন শিক্ষকের কাছে আবেদনপত্র পাঠিয়ে বলা হয়েছে, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক এবং শিশুদের উপযোগী গল্প, উপন্যাসের বই সংগ্রহে থাকলে গ্রন্থাগারে দান করা যেতে পারে।

সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শক্তিপদ দাস অধিকারী বলেন, “বই পড়লে চেতনার বিকাশ ঘটে। এই গ্রন্থাগারের রক্ষণাবেক্ষণে চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না।” উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন জেলা স্কুল পরিদর্শক (প্রাথমিক) আমিনুল আহসান, জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি নারায়ণ সাঁতরা, কাউন্সিলর সৌমেন খান প্রমুখ।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy