রানিনগর ১ ব্লকের হাড়িভাঙা দৌলতপুরের বাসিন্দা লাল্টু শেখ বলেন, ‘‘প্রায় ২০ বছর ধরে ভোট দিচ্ছি। এ বার এসআইআর-এ সমস্ত নথিপত্র জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু বাবা মা অন্য ভাইদের ভোট হয়ে গেল অথচ আমার ভোটটা হল না।’’ তাঁর দাবি, ট্রেনে জায়গা পাননি, একটা রঙের বালতি উল্টো করে ট্রেনের মেঝেতে রেখে তিন দিন দু'রাত ঠাঁই বসে অনেক কষ্ট করে ঘরে ফিরেছেন সাত দিন আগে। ভেবেছিলেন হয়তো নামটা উঠে যাবে। কিন্তু তা আর হল না।
কেবল লাল্টু নয়, হাড়িভাঙা দৌলতপুরের জসিম শেখ, নাসিম শেখ, শামসুল আলমদের অবস্থা একই। অনেক কষ্ট করে গত রাতে বাড়ি পৌঁছেছেন জসিম। বলছিলেন, ‘‘কত বড় অন্যায় দেখুন তো, সারা জীবন ভোট দিয়ে আসছি। আর এখন হঠাৎ করেই আমার নামটা কেটে দিল নির্বাচন কমিশন। সমস্ত নথিপত্র জমা দিয়েছি, বাবা-মায়ের ভোট হয়েছে, অথচ আমারটা আর হল না। কী অপরাধ ছিল আমার।’’ এই প্রশ্ন এ দিন দৌলতপুরের শতাধিক পরিবার ছুড়ে দিয়েছে। কারণ এলাকার তিনটি বুথের প্রায় ১২০০ ভোটারের নাম এসআইআরে বাদ গিয়েছে সেখানে। দুপুরেও খাঁ খাঁ করেছে ভোটকেন্দ্র। স্থানীয় বাসিন্দা মইনুদ্দিন মন্ডল বলেন, "প্রায় অর্ধেক লোকের নাম কাটা পড়েছেএলাকায়।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)