এসআইআরে শুনানির নোটিস পেয়ে শুক্রবার নদিয়ার শুনানিকেন্দ্রে সস্ত্রীক হাজির হলেন খোদ বিএলও। তাঁর স্ত্রীর নামেও আসে নোটিস। সেই নোটিস স্ত্রীর হাতে তুলে দেন তিনিই। শুক্রবার শুনানিতে দু’জনকেই হাজির থাকতে দেখা যায় ব্লক অফিসে।
তেহট্ট ১ ব্লকের তেহট্ট পঞ্চায়েতের ২৪৯ নম্বর বুথের বিএলও আব্দুর রহিম মালিথ্যা স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকও। স্কুল সেরে প্রথম থেকেই এসআইআরের কাজ সামলেছেন। গত পরশু আব্দুর ও তাঁর স্ত্রী হাসিমা মালিথ্যার নামে শুনানির নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। সেই নোটিস নিজেই সংগ্রহ করেন আব্দুর। পাশাপাশি বিএলও হিসেবে নিজের স্ত্রী হাসিমার কাছেও শুনানির নোটিস দেন তিনি।
আব্দুর জানিয়েছেন, বয়স সংক্রান্ত অসঙ্গতির জন্য নোটিস এসেছে। অন্য দিকে, ভোটার কার্ডে বাবার নামের অসঙ্গতির জন্য তাঁর স্ত্রীকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আব্দুর বলেন, “এসআইআরের আবেদন পূরণের সময় সব নথির উল্লেখ করা হয়েছিল। তার পরেও শুনানির নোটিস আসা বাঞ্চনীয় নয়।” এ প্রসঙ্গে তেহট্ট ১ তৃণমূলের ব্লক সভাপতি দিলীপ পোদ্দার বলেছেন, “হয়রানি ছাড়া আর কিছুই নয়।”
বিজেপির এক নেতা জানিয়েছেন, ভুল আছে বলেই নোটিস গিয়েছে। প্রশাসনের এক আধিকারিকের অবশ্য জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নথি থাকলে কোনও সমস্যা হবে না।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)