Advertisement
E-Paper

শুভেন্দুর আগে মাঠে বিজেপি

স্কুলে গুলি-কাণ্ডের পর এই প্রথম রাজনৈতিক দল হিসেবে দাড়িভিটের রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:১৫
ধর্নায় নিহতদের পরিবার। দাড়িভিট। নিজস্ব চিত্র

ধর্নায় নিহতদের পরিবার। দাড়িভিট। নিজস্ব চিত্র

স্কুলে গুলি-কাণ্ডের পর এই প্রথম রাজনৈতিক দল হিসেবে দাড়িভিটের রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। ৬ জানুয়ারি পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভার আগের দিনই এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করছে তারা। এ জন্য প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। ৩ ও ৫ জানুয়ারি দাড়িভিট হাইস্কুলের রাস্তায় বিক্ষোভ সমাবেশ করতে চায় নিহতদের দুই পরিবারও। যদিও পুলিশ সূত্রের খবর, বিজেপি বা ওই দুই পরিবার, কেউই সমাবেশের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমতি নেয়নি।

এলাকার রাজনৈতিক কারবারিদের বক্তব্য, শুভেন্দুর সভা করতে দেবেন না বলে দিনকয়েক আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন দুই নিহতের পরিবারের সদস্যেরা। কিন্তু শুভেন্দুর সভা আটকানো যাবে না বুঝে তার আগে দু’দিন বিক্ষোভ দেখাতে চায় দুই পরিবার। এলাকার তৃণমূল নেতাদের একাংশের বক্তব্য, ওই দুই পরিবারের পিছনে বিজেপির সরাসরি মদত রয়েছে। বিজেপির স্থানীয় নেতারাও দুই পরিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছেন। অভিজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, দুই পরিবারের প্রতি এলাকায় এখনও কতখানি সহমর্মিতা ও সমর্থন রয়েছে, তা দু’দিনের বিক্ষোভের মধ্যে দিয়ে পরোক্ষে যাচাই করতে চায় বিজেপি।

এ ছাড়া, বিজেপিও আলাদা করে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে ৫ জানুয়ারি। রাজনৈতিক কারবারিদের বক্তব্য, দাড়িভিট-কাণ্ডের পর এই প্রথম এলাকায় সরাসরি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নামছে বিজেপি। আর সেজন্য শুভেন্দুর সভার আগের দিনটা বেছে নেওয়ার পিছনে বিজেপির অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই-ই দেখছেন তাঁরা। কারণ দাড়িভিট কাণ্ডের পর প্রথম থেকে এলাকায় বিভিন্ন বিক্ষোভ-প্রতিবাদে বিজেপি পরোক্ষে সক্রিয় ছিল। কিন্তু কিছুদিন ধরে তাদের সেই সক্রিয়তার ধার কমেছে বলেই রাজনীতি-অভি়জ্ঞদের বক্তব্য। পাশাপাশি, এলাকায় কিছুটা হলেও রাজনৈতিক মাটি ফিরে পেয়েছে শাসক দল। এই অবস্থায় বিজেপি এখন নিজেদের শক্তি প্রমাণ করতে বদ্ধপরিকর। বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলার সহকারী সভাপতি সুরজিৎ সেন বলেন, ‘‘অন্য দলের সভা নিয়ে কিছু বলার নেই। আমরা নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছি। ওদের বিক্ষোভ সমাবেশে থাকব না। কিন্তু, ৫ জানুয়ারি দাড়িভিটে গিয়ে আলাদা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করব।’’

যদিও ৫ তারিখের সভার কোনও প্রশাসনিক অনুমতি নেয়নি বিজেপি। এ ব্যাপারে সুরজিৎ জানান, তাঁরা অনুমতি পাবেন না জেনেই পুলিশের কাছে আবেদন করেননি। তবে সমাবেশের আগে তাঁরা পুলিশকে জানিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, দু’দিন বিক্ষোভ দেখানোর কোনও পুলিশের অনুমতি নেয়নি দুই পরিবারও। তবে তৃণমূলের দাবি, এলাকায় তারা সভার প্রস্তুতি শুরু করেছে। এলাকাবাসীদের অনেকেই তাতে সামিল হয়েছেন বলে দাবি তৃণমূলের দাড়িভিট অঞ্চল সভাপতি সুবোধ মজুমদারের। তিনি বলেন, ‘‘বিক্ষোভ কর্মসূচির কথা শুনেছি। সেটা হতেই পারে। কিন্তু আমাদের ওই সভা হবে এলাকায়।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy