Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১২ অগস্ট ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

শেয়াল-কুকুরে খুবলে খেল গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারা কিশোরীকে! উত্তপ্ত কুমারগঞ্জ

সোমবার সকালে সাফানগর ও অশোকগ্রামের মধ্যবর্তী মাঠ সংলগ্ন একটি সাঁকোর নীচ থেকে আধখাওয়া অবস্থায় ওই কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কুমারগঞ্জ ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ১৪:২১
Save
Something isn't right! Please refresh.
সাঁকোর নীচ থেকে দেহটি উদ্ধার হয়। —নিজস্ব চিত্র।

সাঁকোর নীচ থেকে দেহটি উদ্ধার হয়। —নিজস্ব চিত্র।

Popup Close

গণধর্ষণের পর খুন করে কিশোরীর দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ এলাকা। সোমবার সকালে ওই কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয় সেখানে। শেয়াল-কুকুরে তার দেহের কিছু অংশ খুবলে খেয়েছে বলে অভিযোগ। তাতে‌ই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়েরা। পড়ুয়া-শিক্ষক-সহ সাধারণ মানুষ এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন। ফুলবাড়ি মোড়ে পথ অবরোধও করেছেন তাঁরা।

সোমবার সকালে সাফানগর ও অশোকগ্রামের মধ্যবর্তী মাঠ সংলগ্ন একটি সাঁকোর নীচ থেকে আধখাওয়া অবস্থায় ওই কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, গণধর্ষণের পর খুন করা হয় বছর সতেরোর ওই কিশোরীকে। তার পর পেট্রল ঢেলে তার দেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে শেয়াল-কুকুরে ওই পোড়া দেহ খুবলে খায়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাফানগরের একেবারে শেষপ্রান্তে অশোকগ্রাম এলাকা শুরু হয়েছে। সেখানেই একটি বিশাল ফাঁকা মাঠ রয়েছে। তার কাছেই বাংলাদেশ সীমান্ত। এমনিতেই সেখানে লোকজনের আনাগোনা কম। শীতের রাতে সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সোমবার সকালে মাঠ সংলগ্ন সাঁকোর উপর রক্তের দাগ দেখতে পান স্থানীয়রা। ঝুঁকে দেখেন সাঁকোর নীচেই আধখাওয়া দেহটি পড়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। তাঁরাই এসে দেহটি উদ্ধার করেন।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, কুমারগঞ্জ থানা এলাকা থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে গঙ্গারামপুর থানা এলাকায় বাড়ি ওই কিশোরীর। বন্ধুর বাড়ি যাচ্ছে বলে রবিবার সকালে বাড়ি থেকে বেরোয় সে। তার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল সে। সোমবার তার দেহ উদ্ধার হয়। ওই কিশোরীর দেহের বেশিরভাগ অংশই পুড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার গলায় ও হাতে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাতে চিহ্নও রয়েছে। তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওই কিশোরীর বাবার।

বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তাতে মাহবুর মিয়াঁ, পঙ্কজ বর্মন এবং গৌতম বর্মন নামের তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দক্ষিণ দিনাজপুরের পুলিশ সুপার দেবর্ষি দত্ত বলেন, ‘‘ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পেলে ধর্ষণ হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট ভাবে বলা যাবে না।’’

এই ঘটনাকে বর্বরোচিত বলে উল্লেখ করেছেন কুমারগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘‘এখানে আগে এমন ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ তদন্ত করছে।’’ বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার লবলেন, ‘‘হায়দরাবাদে যে ভাবে গণধর্ষণের পর তরুণীকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল, এখানেই ঠিক তেমনই ঘটেছে।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement