দক্ষিণবঙ্গের কয়েক জেলায় রবিবারও রয়েছে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস। হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে কলকাতায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। রবিবারের পর থেকে দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টি কমতে পারে। তবে কয়েক জেলার কিছু অংশে বিক্ষিপ্ত ভাবে চলবে হালকা বৃষ্টি। উত্তরবঙ্গে পরের সপ্তাহে আবার বাড়বে বৃষ্টি। শনিবারও ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে ৬০ কিলোমিটার গতিতে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। সে জন্য ওই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মধ্য পাকিস্তান থেকে অন্ধ্রের উত্তর উপকূল পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। দক্ষিণ ওড়িশার উপর দিয়েও বিস্তৃত রয়েছে ওই অক্ষরেখা। অন্য দিকে, বাংলাদেশ এবং আশপাশের অঞ্চলের উপরে রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। সেই দুইয়ের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে ছুটে আসছে জলীয় বাষ্প। তার প্রভাবেই আগামী ২৪ ঘণ্টা ঝড়বৃষ্টির উপযুক্ত পরিস্থিতি থাকছে দক্ষিণবঙ্গে। তার পরে ক্রমে কমবে বৃষ্টি। উত্তরবঙ্গে ৪ জুন থেকে আবার বাড়বে ঝড়বৃষ্টি।
রবিবার দক্ষিণবঙ্গে ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ের জন্য হলুদ সতর্কতা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাতেও হালকা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। দু’-এক জেলার কিছু অংশে হতে পারে বৃষ্টি।
আরও পড়ুন:
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির দু’-এক জায়গায় রবি এবং সোমবার হালকা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোথাও সতর্কতা জারি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। ওই তিন জেলায় হলুদ সতর্কতা রয়েছে। বুধবার থেকে বৃষ্টির প্রকোপ বাড়বে উত্তরে। আগামী শুক্রবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে। সেখানে বৃষ্টির পাশাপাশি ঝড়ের জন্যও রয়েছে হলুদ সতর্কতা।