E-Paper

পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি, নস্যাৎ তৃণমূলের

তৃণমূলের যুক্তি, সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে বাহিনী মোতায়েনের সঙ্গে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে এক করে দেখা ঠিক নয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৩ ০৭:২৫
Representational image of TMC.

কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি নস্যাৎ করল তৃণমূল। প্রতীকী ছবি।

রাজ্যে হনুমান জয়ন্তী ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হয়েছিল। সেই নজিরকে সামনে রেখে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী আনার দাবিতে ফের সরব হল বিরোধীরা। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য যুক্তি দিচ্ছে, সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সঙ্গে রাজ্যের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে এক করে দেখা ঠিক নয়।

নন্দীগ্রামে বৃহস্পতিবার হনুমান জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে গিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী আনার দাবি ফের তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রীয় বাহিনী সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক এ দিন বলেন, ‘‘আমি মনে করি, পঞ্চায়েত ভোটেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা দরকার। পুরভোট আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে, রাজ্যের পুলিশের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ সম্ভব নয়। পুরভোটে সর্বত্রই তৃণমূল বাহিনীকে দাপিয়ে বেড়াতে দেখা গিয়েছে। তাই রাজ্য পুলিশের দ্বারা পঞ্চায়েত ভোট অবাধ ও নিরপেক্ষ হতে পারে না।’’ রায়গঞ্জে এ দিন দলের কর্মিসভায় গিয়েছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী সংক্রান্ত প্রশ্নে সেলিমের বক্তব্য, ‘‘কয়েকটি এলাকায় ধর্মীয় মিছিল হচ্ছে, তাতেই আধা-সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন হচ্ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন রাজ্য জুড়ে হবে। তাই অশান্তি এড়াতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর প্রস্তাব দেওয়া উচিত। তা ছাড়া, মুখ্যমন্ত্রীই তো তাঁর পুলিশের উপরে আস্থা রাখতে পারেননি!’’

রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ অবশ্য পাল্টা বলেছেন, ‘‘দু’টো সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। এ ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার প্রশ্ন ছিল। একটা দল ‘রুট’ ভাঙছিল, আরও নানা রকম প্ররোচনা তৈরি করছিল। এটা ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি। এ ক্ষেত্রে রাজ্য প্রশাসন সুকৌশলে বোতলবন্দি করেছে। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, এই অশান্তির উৎস কোথায়। এর সঙ্গে সাধারণ আইনশৃঙ্খলাকে গুলিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না।’’ তাঁর আরও বক্তব্য, ‘‘রাজ্যে ’৯২ সালের একটা পরিস্থিতিতেও সেনা নামানো হয়েছিল । পরেও এক বার হয়েছে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

TMC central force West Bengal

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy