E-Paper

১৫ ঘণ্টা আটকের পর মুক্তি ছাত্রনেতার

থানা ঘেরাওয়ের সময় ছাত্রনেতাদের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটির একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এনামুলের ছাড়ার দাবির পাশাপাশি, বানিয়াচং থানায় আগুন লাগিয়ে এক পুলিশকর্মীকে পুড়িয়ে হত্যার কথা বলতে শোনা গিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতাকে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৩৬

—প্রতীকী চিত্র।

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশের হবিগঞ্জে এনামুল হাসান ওরফে নয়নকে আটক করেছিল পুলিশ। কিন্তু নয়ন বর্তমানে তাঁদের দলের সমর্থক বলে দাবি করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কিছু নেতা। তাঁদের চাপের মুখে ১৫ ঘণ্টা পরে এনামুলকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। শুক্রবার শায়েস্তাগঞ্জ থানায় ঘটনাটি ঘটেছে। থানা ঘেরাওয়ের সময় ছাত্রনেতাদের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটির একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এনামুলের ছাড়ার দাবির পাশাপাশি, বানিয়াচং থানায় আগুন লাগিয়ে এক পুলিশকর্মীকে পুড়িয়ে হত্যার কথা বলতে শোনা গিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতাকে।

পুলিশ সূত্রের খবর, শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে ওই দলের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিলেন। এর পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলার নেতা-কর্মীরা তাঁর মুক্তির দাবিতে গতকাল দুপুরে থানা ঘেরাও করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র অধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানের নেতৃত্বে এক দল নেতা-কর্মী ওসির ঘরে ঢুকে পড়েন। তাঁরা দাবি করেন, এনামুল এক সময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও পরে তিনি জুলাই আন্দোলনে জড়িত হন। একটি ভিডিয়োয় মাহদীকে বলতে শোনা যায়, ‘‘জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। আপনারা আমাদের প্রশাসনের লোক। আপনারা আমাদের ছেলেদেরকেই গ্রেফতার করে নিয়ে এসেছেন।’’ এক পর্যায়ে মাহদী ওসিকে বলেন, ‘‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।’’ বেলা তিনটের দিকে হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলামের মধ্যস্থতায় এনামুল হাসানকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। তবে এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনও প্রমাণ মেলেনি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Bangladesh Bangladesh Chhatra League

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy