Advertisement
E-Paper

চিনকে আটকাতে বিপুল ঋণ ভারতের

রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সম্মেলনের ফাঁকে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলভুক্ত রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে এই ঋণের পাশাপাশি ওই রাষ্ট্রগুলির অসমাপ্ত প্রকল্পগুলি দ্রুত শেষ করার জন্য পৃথক ভাবে আরও আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করেছেন তিনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৩:৪৮
প্রশান্ত মহাসাগর সংলগ্ন দ্বীপরাষ্ট্রগুলির প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবি: পিটিআই

প্রশান্ত মহাসাগর সংলগ্ন দ্বীপরাষ্ট্রগুলির প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবি: পিটিআই

প্রশান্ত মহাসাগর সংলগ্ন দ্বীপরাষ্ট্রগুলিকে ১৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণদানের কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাদের প্রয়োজনীয় সৌরশক্তি, পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন চাহিদা এবং অপ্রচলিত অন্যান্য শক্তিক্ষেত্রগুলিকে মজবুত করার জন্য স্বল্প সুদে এই ঋণ দান করা হল বলে জানাচ্ছে ভারত।

রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সম্মেলনের ফাঁকে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলভুক্ত রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে এই ঋণের পাশাপাশি ওই রাষ্ট্রগুলির অসমাপ্ত প্রকল্পগুলি দ্রুত শেষ করার জন্য পৃথক ভাবে আরও আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করেছেন তিনি। এই প্রথম রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশন চলাকালীন এই দেশগুলির বহুপাক্ষিক বৈঠক হল নিউইয়র্কে। মোদীর কথায়, “প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলি আমাদের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। ফলে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করে চলেছি। এটা আমাদের ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ সবকা বিশ্বাস’ নীতির অঙ্গও বটে।”

বৈঠকে ছিলেন ফিজি, পাপুয়া নিউগিনি, টোঙ্গা-সহ বিভিন্ন দ্বীপরাষ্ট্রগুলির শীর্ষ প্রতিনিধিরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের এই ব্লকটির উপর আধিপত্য কায়েম করার চেষ্টা বহু দিনের। ঋণদানের সিদ্ধান্ত সেই প্রক্রিয়ার অংশ। এখানে চিনের প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে বলেই বারবার লাল সঙ্কেত পাচ্ছে সাউথ ব্লক। আশঙ্কা, সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তাদের কৌশলগত পরিকাঠামোও। সমুদ্র বাণিজ্যে চিনের একাধিপত্য খর্ব করতে ভারতের মুখাপেক্ষী সংলগ্ন অনেক দেশই। এ ব্যাপারে জাপানকেও পাশে পেয়েছে ভারত। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বারবার বার্তা দেওয়া হয়েছে যে সমুদ্র পথে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আন্তর্জাতিক আইন মোতাবেক বাণিজ্য এবং লেনদেনে বিশ্বাস করে ভারত। সূত্রের দাবি, বেজিং-এর বাণিজ্যিক এবং কৌশলগত আগ্রাসনের পাল্টা চাপ দিতে আরও বেশি করে নিউ ইয়র্কের এই শীর্ষ আন্তর্জাতিক মঞ্চকে বেছে নেওয়া হল ভারতের পক্ষ থেকে।

Narendra Modi UN United Nation China Pacific Ocean
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy