Advertisement
E-Paper

মদ্যপকে ঘিরে বিমানে ছিনতাই আতঙ্ক

ককপিটের দরজায় ও ভাবে একের পর এক ঘা পড়তেই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন পাইলট। খবর পাঠিয়ে দেন, ইন্দোনেশিয়াগামী অস্ট্রেলীয় বিমানটি হয়তো ছিনতাই হয়েছে। সাহায্য চাই। সেই মতো বালি বিমানবন্দরে চলে আসে সেনা-পুলিশ। বিমান মাটি ছুঁতেই ঘিরে ফেলা হয় উড়োজাহাজটিকে। আর তার পর হাতকড়া পড়ে নেমে আসেন ‘সন্দেহভাজন ছিনতাইবাজ’।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০২:১৫

ককপিটের দরজায় ও ভাবে একের পর এক ঘা পড়তেই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন পাইলট। খবর পাঠিয়ে দেন, ইন্দোনেশিয়াগামী অস্ট্রেলীয় বিমানটি হয়তো ছিনতাই হয়েছে। সাহায্য চাই। সেই মতো বালি বিমানবন্দরে চলে আসে সেনা-পুলিশ। বিমান মাটি ছুঁতেই ঘিরে ফেলা হয় উড়োজাহাজটিকে। আর তার পর হাতকড়া পড়ে নেমে আসেন ‘সন্দেহভাজন ছিনতাইবাজ’।

অবসান ঘটল জল্পনার। বিমানের কর্মীদের মুখে জানা গেল, ছিনতাইবাজ নন। মাতাল যাত্রীটির খুব ককপিটে ঢোকার ইচ্ছে হয়েছিল। তাই চেঁচামেচি জুড়ে দেন। ককপিটের দরজা খোলার জন্য ক্রমাগত ধাক্কা মারতে শুরু করেন। ঢুকতে অবশ্য পারেননি। কিন্তু পাইলটের মনে আতঙ্ক দানা বাঁধে। সময় ব্যয় না করে বিপদবার্তা পাঠিয়ে দেন বালিতে।

পরে বালির দেনাপাসার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানালেন, একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গিয়েছিল। কোনও ছিনতাই হয়নি। ভার্জিন অস্ট্রেলিয়ার এক কর্তা বললেন, “২৮ বছর বয়সি ম্যাট ক্রিস্টোফার লকলি অত্যধিক মদ খেয়েছিলেন। তাই অমন উন্মাদের মতো আচরণ করছিলেন।” হাতকড়া পরিয়ে তাঁকে কব্জায় আনেন বিমানের কর্মীরাই। টেনে নিয়ে যান বিমানের পিছনে। সেখানেই বসিয়ে রাখা হয় বাকি পথটা। বালিতে পৌঁছতেই পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় লোকটিকে। লকলি কোনও রকম মাদক নিয়েছিলেন কি না, এখন তা পরীক্ষা করে দেখছে পুলিশ। সংগ্রহ করা হয়েছে রক্তের নমুনা। তাঁর পকেটে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স মিলেছে। তা থেকেই জানা গিয়েছে লকলি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের বাসিন্দা। তবে ওই পর্যন্তই। জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হয়নি। কারণ এখনও ঘোরের মধ্যে রয়েছেন লকলি। তাতেই মাদকের নেশা কি না, সে সন্দেহই জোরদার হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ার পরিবহণমন্ত্রী হেরি বাকতি বললেন, “বোয়িং ৭৩৭-৮০০ থেকে বিপদসঙ্কেত মিলতেই ছুটে গিয়েছিলাম। যেহেতু বালি বিমানবন্দরের কাছে চলে এসেছিল বিমানটি, আমরা জরুরি অবতরণ করার নির্দেশ দিই।” ইতিমধ্যে পৌঁছে যায় সেনার ট্রাক, পুলিশের অন্তত পাঁচটি গাড়ি। পালানি মোহন নামে এক যাত্রী অন্য একটি বিমানে ওঠার জন্য বালি বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন। জানালেন, তাঁদের বিমানের ক্যাপ্টেন ঘোষণা করে দেন, কখন তাঁরা রওনা দেবেন ঠিক নেই। কারণ সেখানে বিমান ছিনতাই হয়েছে। বালিতে নামার কথা ছিল এমন বেশ কয়েকটি বিমানেরও মুখ ঘুরিয়ে দেওয়া হয় অন্য দিকে। বন্ধ করে দেওয়া হয় বালি বিমানবন্দর। এর পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে লেগে যায় বেশ কয়েক ঘণ্টা।

australian plane
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy