বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে পঞ্চম জয়েন্ট কনসাল্টেটিভ কমিশনের বৈঠকে আজ তিস্তার প্রসঙ্গ তুললেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি জানিয়েছেন তিস্তা-সহ দু’দেশের মধ্যে বয়ে যাওয়া নদীগুলির জল বণ্টন নিয়ে সামগ্রিক চুক্তি সম্পন্ন করা হোক। পাশাপাশি গত কাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পর আজ সুষমার সঙ্গে আলোচনাতেও রোহিঙ্গা 

সমস্যার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী। মন্ত্রক সূত্রের খবর, তিস্তা চুক্তি যাতে দ্রুত সম্পন্ন হয়, সে জন্য তৎপরতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সুষমা।

ঘটনা হল, সরকারের এই মেয়াদে তিস্তা নিয়ে কোনও পদক্ষেপের সম্ভাবনাই নেই। কিন্তু বাংলাদেশ চাইছে ভারতের সঙ্গে তিস্তা প্রসঙ্গটিকে জীবন্ত রাখতে। যাতে পরবর্তী সরকারের গোড়া থেকেই এই নিয়ে চাপ বাড়ানো যায়। তা ছাড়া নিজের ইনিংসের গোড়াতেই তিস্তা প্রসঙ্গটিকে ফের আলোচনার টেবিলে এনে বাংলাদেশের মানুষের কাছেও বার্তা দিতে চাইল হাসিনা সরকার।

আজকের বৈঠকের পর দু’দেশের মধ্যে চারটি সমঝোতাপত্র সই হয়েছে। মংলায় ভারতের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, দুর্নীতি দমনে যৌথ সহযোগিতা এবং প্রশিক্ষণ, ভেষজ ক্ষেত্রে সমঝোতা এবং সরকারি কর্মীদের প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত এই সমঝোতাপত্রগুলি সই করেছেন দু’দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা।