নতুন বইয়ের গন্ধ, পছন্দের বই হাতে নিয়েই পাতা ওল্টানো, একজন বইপ্রেমীর কাছে বইমেলা মানে আবেগ। তার সঙ্গে টুকটাক স্ন্যাকস, এ এক আলাদাই আনন্দ। কিন্তু সারি সারি বইয়ের স্টল এবং পরিচিত স্ট্রিট ফুডের গন্ধের আড়ালে গত কয়েক বছর ধরে এখানে চলছে এক আধুনিক বিপ্লব। গত ৫ বছর ধরে ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’ এই মেলার অফিসিয়াল ডিজিটাল পার্টনার, যে শৈশবে পড়া ক্লাসিক্সের পাতা এবং আধুনিক ডিজিটাল গল্প বলার জগতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।
বিশদে জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:
গত ৫ বছর ধরে ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’ কলকাতা বইমেলার অফিসিয়াল ডিজিটাল পার্টনার
এই সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ‘প্রোডাকশন কন্ট্রোল রুম’, যেখানে ভেতরে ঢুকলেই বোঝা যেত, ছাত্রছাত্রীদের ব্যস্ততায় গোটা জায়গা সরগরম। কখনও নোবেলজয়ীর নিখুঁত ছবি তোলা, আবার কখনও বিশেষ সাক্ষাৎকারের জন্য লেখকদের পেছনে ছোটা, এসএনইউ-এর টিম ছিল সর্বত্র।
এই বছর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল রিলস-এর উপর। নামী বই প্রকাশ হোক বা হঠাৎ হওয়া কোনও সঙ্গীত পরিবেশনা, ছাত্রছাত্রীরা মাঠে নেমেই সঙ্গে সঙ্গে রিলস এডিটের কাজ শুরু করত, যাতে এই মেলার জাদু মুহূর্তে সারা বিশ্বের পর্দায় পৌঁছে যায়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলার আকাশে সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গেই ‘লাইভ’ আলো জ্বলে উঠত। ছাত্রছাত্রীরা ভিড়ের মাঝখানে ঘুরে ঘুরে মেলার উন্মাদনা আর আনন্দ ক্যামেরাবন্দি করত, যাতে বাড়িতে বসেও মানুষ বইমেলার স্পন্দন অনুভব করতে পারে।
এসএনইউ, কলকাতার গর্ব বইমেলাকে এনে দিয়েছে মানুষের কাছাকাছি। তারা দেখিয়ে দিয়েছে গল্প কালি দিয়ে লেখা হলেও, নতুন প্রজন্মের কণ্ঠে সেই গল্পই হয়ে ওঠে জীবন্ত।
এই প্রতিবেদনটি ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’র সঙ্গে আনন্দবাজার ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।