Advertisement
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

পাম্প স্টোর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে লগ্নি ৫,২০০ কোটি

বোকারোয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির প্রচুর জমি পড়ে। ফলে প্রকল্পের জন্য তা কিনতে হবে না। সম্ভাবতা সমীক্ষাও সারা। রাষ্ট্রায়ত্ত ওয়্যাপকস তা করে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে।

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ১৮ অগস্ট ২০১৮ ০৪:৩০
Share: Save:

দেশে তো বটেই, সারা এশিয়ার বৃহত্তম পাম্প স্টোরেজ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়তে পা বাড়ানোর দাবি করল ডিভিসি। বোকারোর লাগু পাহাড়ে ১,৫০০ মেগাওয়াটের ওই প্রকল্পের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য খরচ ৫,২০০ কোটি টাকা। শুক্রবার সিআইআই আয়োজিত আলোচনাসভায় এ কথা জানান ডিভিসি-র চেয়ারম্যান প্রবীর কুমার মুখোপাধ্যায়।

বোকারোয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির প্রচুর জমি পড়ে। ফলে প্রকল্পের জন্য তা কিনতে হবে না। সম্ভাবতা সমীক্ষাও সারা। রাষ্ট্রায়ত্ত ওয়্যাপকস তা করে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে।

সভার পরে প্রবীরবাবু বলেন, ‘‘২৫০ মেগাওয়াট করে মোট ছ’টি ইউনিটের বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরিতেই অন্তত দু’বছর লাগবে। সম্ভাব্য খরচ ৪০ কোটি টাকা।’’ শীঘ্রই তা তৈরির জন্য আগ্রহী সংস্থার কাছে দরপত্র চাওয়া হবে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, এ রাজ্যে পুরুলিয়ায় অযোধ্যা পাহাড়ে রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার ৯০০ মেগাওয়াটের একটি পাম্প স্টোরেজ বিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে।

পাম্প স্টোরেজ প্রকল্প

• পাহাড়ের গায়ে তৈরি করা নীচের জলাধার থেকে পাম্প করে জল তোলা হয় উপরের জলাধারে।

• পরে উপর থেকে সেই জল ছেড়ে উৎপাদন করা হয় জল বিদ্যুৎ।

• বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকার সময়ে উপরে জল তোলা হয়। চাহিদা বাড়লে তা ছাড়া হয়।

• পুরুলিয়ায় অযোধ্যা পাহাড়ে রাজ্যের এমন একটি প্রকল্প আছে। পরিকল্পনা আছে তুর্গা নামে আরও একটি গড়ে তোলার।

এ দিকে, সম্প্রতি বাংলাদেশে ১৫ বছরের জন্য ৩০০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ রফতানির বরাত পেয়েছে ডিভিসি। কিন্তু তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রের খবর। প্রবীরবাবু জানান, ডিভিসি বিদ্যুৎ উৎপাদন, সংবহন, বণ্টন সবই করতে পারে। তাদের সেই লাইসেন্স রয়েছে। তাই বাংলাদেশেও বিদ্যুৎ রফতানিতে বাধা নেই।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE