• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ফের সেই আশ্বাসবাণী, উঠছে প্রশ্ন

Automobile
প্রতীকী চিত্র।

মরিয়া হয়ে আশার সূত্র খুঁজছে গাড্ডায় পড়া গাড়ি শিল্প। গাড়ি সংস্থাগুলির সংগঠন সিয়ামের বার্ষিক সভার পরের দিন, শনিবার যন্ত্রাংশ শিল্পের সংগঠন অ্যাকমার সভাতেও উঠল সেই অন্ধকারের ছবি। ঘুরে দাঁড়াতে শিল্প মহল সরকারের সাহায্য চাইলেও, শুক্রবারের মতো এ দিনও আশ্বাসবাণীই দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে আমলা। বলেছেন তাদের ‘আত্মনির্ভর’ হতে। করোনার আগেই অর্থনীতির ঝিমুনিতে কোমর ভেঙে যাওয়া গাড়ি শিল্পের কাছে সেই বার্তা আকাশকুসুম নয় কি, উঠছে প্রশ্ন। 
 

কেন্দ্র ও নীতি আয়োগের বক্তব্যকেন্দ্র ও নীতি আয়োগের বক্তব্য

• গাড়ি ও যন্ত্রাংশ শিল্পের জন্য উৎপাদন ভিত্তিক উৎসাহ প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ শেষ। তা দ্রুত চালুর চেষ্টা করা হবে।
• পুরনো গাড়ি বাতিলের আর্থিক সুবিধা নীতি প্রায় চূড়ান্ত পর্বে। মাসখানেকের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।
• দেশেই যন্ত্রাংশ তৈরি হোক।
• এই শিল্পের ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম ‘হাব’ হোক ভারত

শিল্প বলছে

• লকডাউনে দক্ষ কর্মীর অভাবে ধাক্কা উৎপাদনে।
• উন্নত প্রযুক্তি ও কম খরচের জন্য যন্ত্রাংশ আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব নয়।
• চিন থেকে কারখানা সরাতে আগ্রহীদের লগ্নি পেতেও ঝাঁপাতে হবে।

 

 

অ্যাকমার প্রেসিডেন্ট দীপক জৈনের মতে, গত তিন মাসে গাড়ি উৎপাদন বাড়লেও তা গত বছরের চেয়ে প্রায় ৩৮% কম। উৎপাদন ও ব্যবসার চ্যালেঞ্জের কথা বলেছেন হিরোমোটো কর্পের সিএমডি পবন মুঞ্জল ও টাটা মোটরসের এমডি গুন্টার 
বুশেক। চিনের লগ্নি টানার সঙ্গে দেশে উৎপাদন ভিত্তিক উৎসাহ প্রকল্প-সহ নানা সাহায্যের কথা ফের বলেন সিয়াম প্রেসিডেন্ট কেনিচি আয়ুকায়া।

নীতি অয়োগের সিইও অমিতাভ কান্ত বলেন, উৎসাহ প্রকল্পে জোর দিচ্ছেন। তাঁর ও সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গডকড়ীর ফের আশ্বাস, পুরনো গাড়ি বাতিলের নীতি মাসের শেষে বা অক্টোবরে আসবে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের মতে, আমদানি নির্ভরতা কমাক যন্ত্রাংশ শিল্প। আত্মনির্ভর হোক। 

সেই যুক্তি মানলেও আমদানি পুরো বন্ধ সম্ভব নয়, মত মহীন্দ্রার এমডি পবন গোয়েন্‌কার। তাঁর দাবি, সস্তা ও প্রযুক্তিগত কারণে তা আমদানি হয়। সব প্রযুক্তি দেশে না-ও মিলতে পারে। তবে দেশীয় শিল্পের মানোন্নয়ন ও বিশ্ব আঙিনায় পৌঁছনোর বার্তা দেন তিনি।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন