এয়ার ইন্ডিয়া বিলগ্নিকরণের ক্ষেত্রে উদ্বৃত্ত কর্মীদের অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় কাজের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে কেন্দ্র। সরকারি সূত্রের খবর, স্বেচ্ছাবসর প্যাকেজের বিষয়টিও বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।
বিমান পরিবহণ সচিব আর এন চৌবে জানিয়েছেন, কর্মীদের সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টি তাঁরা খতিয়ে দেখছেন। বিভিন্ন বিকল্পের কথাই ভেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, চুক্তিতে নেওয়া কর্মী সমেত এয়ার ইন্ডিয়া ও তার সহযোগী সংস্থাগুলিতে এই মুহূর্তে কাজ করছেন ২৯ হাজার জন।
গত ১০ জানুয়ারি এয়ার ইন্ডিয়া বিলগ্নিকরণে বিদেশি বিমান সংস্থাকে ৪৯% পর্যন্ত অংশীদারি দেওয়ায় সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। তবে মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ সরকারি হাতেই থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে একটি মন্ত্রিগোষ্ঠী। বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে তারা শীঘ্রই আগ্রহপত্র চাইবে। তবে এয়ার ইন্ডিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন সংস্থা বিলগ্নিকরণের সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই আপত্তি তুলেছে। তবে এই মুহূর্তে সংস্থার ঋণ ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি। হাল ফেরাতে বিলগ্নিকরণের পথেই তাই হাঁটতে চায় কেন্দ্র।
বিমান পরিবহণ মন্ত্রী অশোক গজপতি রাজু সম্প্রতি কলকাতায় এসে বলেন, ‘‘আমরা চাই, এআই চলুক। এখনও সংস্থার কার্যকরী লোকসান (অপারেটিং লস) নেই। কিন্তু বিপুল ধারের সুদ গুনতেই হিমসিম খেতে হচ্ছে। তৈরি হয়ে রয়েছে মরণফাঁদ।’’
প্রসঙ্গত, এআইয়ের আন্তর্জাতিক পরিষেবা কিনতে আগ্রহ দেখিয়ে মন্ত্রককে চিঠি দিয়েছে ইন্ডিগো। বিমানবন্দরের মাটিতে দেওয়া পরিষেবা হাতে নিতে আগ্রহীদের মধ্যে শোনা গিয়েছে বার্ড গোষ্ঠী, সেলেবি-র মতো সংস্থার নাম। গত কয়েক মাসে বারবার জল্পনায় ভেসে উঠেছে টাটাদের নামও। যদিও লিখিত ভাবে আগ্রহ তারা এখনও দেখায়নি।