E-Paper

বিকল্প বাজার থেকে রান্নার গ্যাস আমদানি করে এক ঢিলে দুই পাখি শিকার কেন্দ্রের, বলছে রিপোর্ট

মূল্যায়ন সংস্থা ক্রিসিলের রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুদ্ধের আগে মোট আমদানি করা এলপিজির ৯০% আসত পশ্চিম এশিয়া থেকে। কিন্তু গত এপ্রিল-মে মাসে এক তৃতীয়াংশ জুগিয়েছে আমেরিকা।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ০৭:০৫

— প্রতীকী চিত্র।

একাধিক দেশ থেকে রান্নার গ্যাস (এলপিজি) আমদানি করে এক দিকে যেমন পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে তৈরি হওয়া জোগান সঙ্কট সামাল দেওয়া গিয়েছে, তেমনই রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির ব্যবসায় ক্ষতির অঙ্কও খানিকটা কমানো সম্ভব হয়েছে— শনিবার জানাল সমীক্ষা। দাবি করল, শেষ পর্যন্ত বিকল্প উৎসই অনেকটা বাঁচিয়ে দিয়েছে দেশকে।

মূল্যায়ন সংস্থা ক্রিসিলের রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুদ্ধের আগে মোট আমদানি করা এলপিজির ৯০% আসত পশ্চিম এশিয়া থেকে। কিন্তু গত এপ্রিল-মে মাসে এক তৃতীয়াংশ জুগিয়েছে আমেরিকা। কেনা হয়েছে আর্জেন্টিনা, চিলি, ফ্রান্স, ভেনেজুয়েলা, নেদারল্যান্ডের মতো দেশ থেকেও। এতে এলপিজি আমদানির খরচ বাড়লেও সামগ্রিক ক্ষতি দাঁড়িয়েছে আশঙ্কার থেকে কম। ক্রিসিলের হিসাবে, মার্চ থেকে মে তেল সংস্থাগুলি এলপিজিতে লোকসান গুনেছে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। বিকল্প উৎস না মিললে তা হত ৪০-৪২ হাজার কোটি।

যদিও সৌদি আরামকোর যে দামের (কন্ট্রাক্ট প্রাইস) ভিত্তিতে ভারতে এলপিজির দর ধার্য হয় তা ফেব্রুয়ারির তুলনায় জুনে বেড়েছে ৪৬%। দেশে গৃহস্থালির গ্যাসের দাম ইতিমধ্যেই মোট ৯০ টাকার মতো বেড়েছে। বাণিজ্যিক সিলিন্ডার প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে কলকাতায় দাঁড়িয়েছে ৩২৫৫.৫০ টাকা। ফলে দাম বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তা থাকছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। বিশেষত ক্রিসিল যেহেতু বলেছে, ক্ষতি কম দেখানোর কারণ মূলত এলপিজির চাহিদা কমা। ফলে ধাক্কা সামলাতে সময় লাগবে তেল সংস্থাগুলির। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে ক্রমশ।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Cooking Gas Central Government

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy