আমদানি শুল্ক ঘিরে আমেরিকা ও চিনের রেষারেষিতে গত আট মাস ধরে শঙ্কিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহল। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এর জেরে ধাক্কা খেতে পারে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধি। এই অবস্থায় মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের খবর, অবশেষে সন্ধির কাছাকাছি পৌঁছেছে দু’পক্ষ। সম্ভবত ২৭ মার্চ এই সংক্রান্ত চুক্তিতে সই করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি চিনফিং। ফ্লরিডায় ট্রাম্পের রিসর্টে হতে পারে বৈঠক।

সন্ধির পথে আশঙ্কার কাঁটা যে একেবারেই নেই তা নয়। সম্প্রতি আমেরিকার অনুরোধে চিনা মোবাইল ফোন সংস্থা হুয়েইয়ের অন্যতম শীর্ষ কর্ত্রীকে গ্রেফতার করেছিল কানাডা। দুই দেশের বিরুদ্ধেই আইনি লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হুয়েই। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে আমেরিকার বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলেছেন চিনের সরকারি মুখপাত্র। এর ফলে সন্ধি প্রক্রিয়ায় বাধা আসতে পারে কি না, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল।

উল্লেখ্য, চিনের সঙ্গে বাণিজ্যে বিপুল ঘাটতি, চিনের আমদানি শুল্ক, মেধাসম্পদের সুরক্ষা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে আমেরিকার। বেজিংকে ‘বাগে’ আনতে তাই ২৫,০০০ কোটি ডলারের চিনা পণ্যে আমদানি শুল্ক চাপায় তারা। ১১,০০০ কোটির মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক বসায় চিনও। মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের খবর, বহু দফার বৈঠকের পরে অবশেষে শুল্ক প্রত্যাহার করতে আগ্রহী হয়েছে দু’পক্ষ।

বেজিং জানিয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য সন্ধির লক্ষ্যে নতুন বিদেশি লগ্নি আইন তৈরি হবে, যাতে প্রযুক্তি সুরক্ষা-সহ বিভিন্ন বিষয়ে আস্থা ফেরে বিদেশি সংস্থাগুলির মধ্যে।