আগের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার এক বছর ন’মাসের মধ্যে সর্বাধিক দৈনিক পতন দেখেছিল শেয়ার বাজার। শুক্রবার সকালে লেনদেন শুরু হতেই হারানো জমি পুনরুদ্ধার শুরু হল। গোড়ার দিকে হাজারের বেশি উঠে গিয়েছিল সেনসেক্স। পৌঁছেছিল ৭৫,২৮৬.৩৯-এ। ৩০০ পয়েন্টের কাছাকাছি উঠে ফের ২৩ হাজারে ঢুকে পড়েছিল নিফ্টিও। তবে সকালের দিকে সূচকগুলি যে ভাবে লাফিয়ে উঠছিল, বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা কিছুটা স্থিমিত হয়। শেষে সেনসেক্স ৩২৫.৭২ পয়েন্ট এগিয়ে থামে ৭৪,৫৩২.৯৬ অঙ্কে। নিফ্টি থিতু হয় ২৩,১১৪.৫০-এ। উত্থান ১১২.৩৫।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, অনেকগুলি কারণে কিছুটা ছন্দে ফিরতে দেখা গিয়েছে শেয়ার সূচককে। তাঁদের মতে, এ দিন বাজারে উত্থানের কারণ ছিল—
এক, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে তেল-গ্যাসের পরিকাঠামোয় হামলা হয়েছিল বৃহস্পতিবার। ফলে বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম ব্যারেল পিছু ১১৯ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এ দিন নেমে হয়েছে ১০৭ ডলার। রাতের দিকে অবশ্য হয় ১০৮-১০৯ ডলার।
দুই, লগ্নিকারীদের আস্থা কিছুটা বেড়েছে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জাহাজ চলাচলের প্রধান পথগুলি খোলার জন্য আমেরিকার উদ্যোগে সমর্থনের ইঙ্গিত দেওয়ায় এবং আগামী দিনে হামলার নিশানা হিসেবে তাঁরা ইরানের তেল-গ্যাস উৎপাদনের ক্ষেত্রগুলিকে এড়িয়ে যাবে বলায়।
তিন, বিপুল পতনে কম দামে ভাল শেয়ার কিনতে নেমেছেন লগ্নিকারীরা।
চার, আমেরিকার বাজার পড়লেও এ দিন অনেক দেশের শেয়ার সূচককে উঠতে দেখা গিয়েছে। যুদ্ধ থামার আশা ফেরাচ্ছে আস্থা।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)