নিরাপত্তার ছাঁকনিতে প্রথম বার আটকেই গিয়েছিল ৩৫টি আবেদন। ব্যর্থ হয়েছিল বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাকারদের টাকা সরানোর চেষ্টা। কিন্তু বানান ভুল শুধরে, সুইফ্ট কোডের ভুলভ্রান্তি ঠিক করে দ্বিতীয় বার সেগুলি পাঠানোর পরে সবুজ সঙ্কেত পায় তাদের মধ্যে পাঁচটি। ৮.১ কোটি ডলার (প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা) চলে যায় হ্যাকারদের হাতে। নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ এবং বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের দুই কর্তা এ কথা দাবি করার পর থেকে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে ওই সাইবার আক্রমণ বিতর্ক।
প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বিপদ সঙ্কেত পেয়েও তা বুঝতে পারল না নিউ ইয়র্ক ফেড? প্রশ্নের মুখে দাঁড়াতে হচ্ছে সুইফ্ট কোডের নিরাপত্তাকেও।
ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাঙ্কে হানা দেয় হ্যাকাররা। আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে তার। প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফ্ট কোড জরুরি। কারণ, টাকা পাঠাতে তা অন্য দেশের ব্যাঙ্ককে চিহ্নিত করে। যে ভাবে ভিন্ দেশের ফোন কলকে পথ চিনিয়ে আনে আইএসডি কোড।