E-Paper

প্রতারণা মামলায় বাজেয়াপ্ত অনিল অম্বানির ফ্ল্যাট, পুত্র জয়ের খামারবাড়ি

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) অনিলের গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক এবং জনগণের অর্থ তছরুপের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৫:৩০
অনিল অম্বানী।

অনিল অম্বানী। —ফাইল চিত্র।

অনিল অম্বানীর সংস্থা রিলায়্যান্স কমিউনিকেশন্সের (আরকম) বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক প্রতারণা সংক্রান্ত আর্থিক তছরুপের মামলায় তদন্ত চালাচ্ছিল ইডি। মঙ্গলবার সেই মামলায় রিলায়্যান্স গোষ্ঠীর কর্ণধারের ৩০৩৪.৯০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল তারা। এর আওতায় রয়েছে মুম্বইয়ে তাঁর ফ্ল্যাট এবং ছেলে জয় অনশুল অম্বানীর খামারবাড়ি। ইডি জানিয়েছে, কালো টাকা লেনদেন প্রতিরোধ আইনেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যাতে সম্পত্তির ব্যবহার বা বিক্রি আটকানোর পাশাপাশি, ব্যাঙ্ক ও সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা যায়। গোষ্ঠীর মুখপাত্রের দাবি, বাজেয়াপ্ত হওয়া কিছু সম্পত্তি অনিলের মা কোকিলাবেন ডি অম্বানীর।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) অনিলের গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক এবং জনগণের অর্থ তছরুপের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করছে। এসবিআই, পিএনবি, বিওবি এবং এলআইসি-র করা অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই একাধিক এফআইআর দায়ের করেছিল, যা থেকে এই ইডি তদন্তের সূত্রপাত। তাদের এ দিনের পদক্ষেপের ফলে এডিএজি-র বিরুদ্ধে চলা বিভিন্ন তদন্তে বাজেয়াপ্ত হওয়া মোট সম্পত্তির অঙ্ক ছাড়াল ১৯,৩৪৪ কোটি।

ইডি এ দিন অনিলের মুম্বইয়ের পালি হিল এলাকার ঊষা কিরণ বিল্ডিংয়ের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট এবং তাঁর ছেলের পুণের খান্ডালায় অবস্থিত খামারবাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে। এ ছাড়াও, আমদাবাদের সানন্দে কয়েকটি জমি এবং রিলায়্যান্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের প্রায় ৭.৭১ কোটি শেয়ার (যার মালিকানাধীন ‘রাইস-ই ইনফিনিটি’ নামক সংস্থা) বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আরকমের পাশাপাশি, তহবিল নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে রিলায়্যান্স ইনফ্রার বিরুদ্ধেও। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ইডি অনিলের মুম্বইয়ের পালি হিলেই অবস্থিত১৭ তলা বিলাসবহুল বাসভবন ‘অ্যাবোর্ড’ বাজেয়াপ্ত করেছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩৭১৬ কোটি টাকা।

তদন্তকারীদের মতে, আরকম এবং তার সহযোগী সংস্থাগুলি বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ৪০,১৮৫ কোটির ঋণ নিয়েছিল, যা বকেয়া রয়েছে। ইডি-র দাবি, ঋণের টাকা যাতে ব্যাঙ্কগুলি উদ্ধার করতে না পারে, সে জন্য ওই সম্পত্তিগুলিকে ‘রাইস ট্রাস্ট’-এর আওতায় রাখা হয়, যা আদতে অম্বানী পরিবারের সদস্যদের ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।


(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Anil Ambani ED Enforcement Directorate Reliance Group

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy