যুদ্ধের প্রভাব ভারতে খাদ্য সরবরাহের উপর সে ভাবে পড়েনি বলেই দাবি করল কেন্দ্র। জানাল, দেশে চাল, ডাল, গম, তেল ছাড়াও আলু, পেঁয়াজ, টোম্যাটোর মতো খাদ্যপণ্যের জোগান এবং মজুত দেশে যথেষ্ট। ফলে গণবণ্টন ব্যবস্থাতেও কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও দেশে জিনিসের দামও বাড়েনি। তবে কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারি চলছে। রাজ্য সরকারগুলিকেও সজাগ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং খবরাখবর নেওয়ার জন্য গঠিত হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম।
সোমবার কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আবহে দেশে খাদ্যের সুরক্ষা নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বিস্তারিত জানান। এ দিন ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব অনুপম মিশ্র বলেন, ‘‘খাদ্য সুরক্ষার উপর কড়া নজর রাখছে সরকার। দেশে খাদ্যপণ্যের দামের বিষয়টি আমরা নিয়মিত খতিয়ে দেখছি। জোগান অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া, এমন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে কোনো কালোবাজারি মাথাচাড়া দিতে না পারে।’’
মিশ্র জানান, তাঁরা ৪০টি খাদ্যপণ্যে দৈনন্দিন ভিত্তিতে নজর রাখছেন। ৫২৮টি কেন্দ্র থেকে সেগুলির প্রতি দিনের খুচরো এবং পাইকারি দাম জানার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে বিশেষ অ্যাপ। দেখা গিয়েছে, অত্যাবশ্যক পণ্যের দামে কোনও অস্বাভাবিক পরিবর্তন হয়নি। মিশ্র এবং খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের যুগ্ম সচিব সি শিখার বার্তা, গণবণ্টন ব্যবস্থাকে নির্বিঘ্নে চালু রাখতে কেন্দ্রের কাছে গম এবং চালের মজুত যতটা থাকা প্রয়োজন, তার থেকে তিন গুণ বেশি রয়েছে। চিন্তা নেই ভোজ্যতেলের জোগান নিয়েও।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)