E-Paper

রফতানির খরচ ছাঁটার দাবি শিল্পের

বাণিজ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন গয়াল। জানিয়েছেন, বহু উন্নত দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির সুবাদে সুযোগ খুলছে। তাকে সময় মতো শুধু কাজে লাগানো দরকার।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৪:৫৪

— প্রতীকী চিত্র।

প্রথমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতি। তার পর পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ। একের পর এক সঙ্কটে কাহিল ভারতের রফতানি বাণিজ্য। এই পরিস্থিতিতে ফের রফতানিকারীদের মুখোমুখি বসলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। বার্তা দিলেন, মূলত এই ক্ষেত্রের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি সংস্থাগুলিকে (এমএসএমই) সাহায্য করার। বৈঠকে শুল্ক এবং যুদ্ধের বাইরে রফতানিকারীরা মূলত যে সব অসুবিধার কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলি হল— এক, রফতানি সংক্রান্ত নিয়মকানুন মানার খরচ বৃদ্ধি।তৈরি পণ্যের মান যাচাইয়ের পরিকাঠামোয় ঘাটতি। পণ্যের মান রফতানির যোগ্য কি না, সেটা নিশ্চিত করার জন্য যা জরুরি। তিন, রফতানির বাজার ধরতে এমএসএমইগুলির সমস্যা।

বাণিজ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন গয়াল। জানিয়েছেন, বহু উন্নত দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির সুবাদে সুযোগ খুলছে। তাকে সময় মতো শুধু কাজে লাগানো দরকার। এতে রফতানির সঙ্গে কর্মসংস্থানও বাড়বে। প্রয়োজনীয় সব রকম পদক্ষেপ করবে সরকার। নিপা এক্সপোর্টসের ডিরেক্টর রাকেশ শাহ বলেন, ‘‘রফতানিতে উৎসাহ সংক্রান্ত সরকারি আর্থিক সাহায্য পাওয়া বা বরাত কার্যকর করার জন্য নথিপত্র তৈরি খরচ সাপেক্ষ। বিশেষত এমএসএমইগুলির পক্ষে। তাই ওই খরচ কমানো জরুরি। যা ব্যবসা করার পরিবেশ সহজ করার অঙ্গ। কৃষি-সহ বেশ কিছু পণ্য রফতানির আগে তা সংশ্লিষ্ট আমদানিকারী দেশের গবেষণাগারে পরীক্ষা করাতে হয়। এর খরচও চড়া। সব খরচের কিছুটা সরকার বইলে উপকৃত হবেন রফতানিকারী।’’ তাঁর মতে, রফতানির নতুন বাজারের দরজা দরজা যখন খুলছে, তখন সরকারি সহযোগিতা বিশেষ ভাবে জরুরি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Export Import Piyush Goyal West Asia US-Israel vs Iran

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy