E-Paper

২০৩০ সালের মধ্যে সমান হবে পেট্রল আর বৈদ্যুতিন গাড়ির দাম, দাবি

মঙ্গলবার টাটা মোটরসের সিইও শৈলেশ চন্দ্রের দাবি, ২০৩০-এর মধ্যে পেট্রল ও ইভি-র দাম প্রায় সমান হবে। এর মূল কারণ, এই ক্ষেত্রে আরও বেশি বিদেশি সংস্থার প্রবেশ। যা প্রযুক্তির খরচ কমাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২৫ ০৮:৫১

—প্রতীকী চিত্র।

কেন্দ্র চাইলেও, দেশে পুরোদস্তুর বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) চাকা গড়ানোর পথে সেগুলির বিপুল দাম বড় বাধা। গাড়ি শিল্পের একাংশের দাবি, পাঁচ বছরে ছবিটা বদলাবে। বৈদ্যুতিকের দাম নামবে পেট্রলের জায়গায়। ব্যাটারিতে চার্জের পরিকাঠামোর অভাব কতটা মিটবে জানা নেই। তবেঅন্তত দামের নিরিখে পিছিয়ে পড়তে হবে না। সম্প্রতি যে বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকড়ী।

মঙ্গলবার টাটা মোটরসের সিইও শৈলেশ চন্দ্রের দাবি, ২০৩০-এর মধ্যে পেট্রল ও ইভি-র দাম প্রায় সমান হবে। এর মূল কারণ, এই ক্ষেত্রে আরও বেশি বিদেশি সংস্থার প্রবেশ। যা প্রযুক্তির খরচ কমাচ্ছে। ফলে দাম কমছে গাড়ির।গডকড়ী বলেছিলেন, এই ভোলবদল ঘটতে লাগবে বড়জোর ৩-৪ বছর। শৈলেশের কথায়, ‘‘তথ্য বলছে, দেশে বিক্রীত মোট গাড়ির ৫% ছুঁয়েছে বৈদ্যুতিক। তা দ্রুত বাড়ছে। সেই হারে কমছে দাম।’’ তাঁর আশা, পাঁচ বছরে টাটা মোটরসের বিক্রীত গাড়ির ৩০ শতাংশই হবে ইভি। অন্যান্য সংস্থাও এই গাড়ির সংখ্যা বাড়াচ্ছে। তবে বিক্রেতাদের সংগঠন ফাডার সর্বশেষ তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বরে মোট বিক্রিতে বৈদ্যুতিকের অংশীদারি ছিল ৫%। অক্টোবরে তা আবার কমেছে। প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত চার চাকার বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রিতে শীর্ষে রয়েছে টাটারাই। ঠিক পিছনে এমজি মোটরস।

ফাডার পূর্বাঞ্চলীয় কর্তা রোহিত চৌধুরী জানান, কলকাতায় ১৫% ইভি বিক্রি হয়। কম দামি গাড়ির ক্ষেত্রে ক্রেতার চাপ কমেছে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দাম এক রেখে বেশি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। থাকছে উন্নত প্রযুক্তি ও বেশি ক্ষমতার ব্যাটারিও। এতে বিক্রি বাড়ছে। মার্সিডিজ় বেঞ্জ ইন্ডিয়ার সিইও সন্তোষ আইয়ারেরও দাবি, ‘‘সব বৈদ্যুতিক গাড়ির দামই কমবে। তবে কম দামি ছাড়া আর কোনওটি সাধারণ গাড়ির পর্যায়ে এখনই নামবে না।’’

শৈলেশ বলেন, ‘‘যা হওয়া উচিত, তার থেকে কম দামি ইভি-র দাম ৩০%-৩৫% বেশি।’’ শিল্পের বার্তা, সময়ের সঙ্গে তা কমবে। বাড়বে মাইলেজ। কয়েক বছরে কম দামি বৈদ্যুতিকের দাম পেট্রল গাড়ির সমান হতে পারে। গাড়ি সংস্থাগুলির সংগঠন সিয়ামের অবশ্য মত, কিছু ইভি-র দাম কমলেও, কবে তা হবে বলা কঠিন। কারণ পেট্রল-ডিজ়েল গাড়ির চাহিদা অনেক বেশি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Petrol Electric Car Fuel

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy