Advertisement
E-Paper

পরিণীতি-রাঘব তাইল্যান্ডের চায়না টাউনে! ব্যাঙ্ককে বেড়াতে গেলে কেন তালিকায় রাখবেন এই স্থান

তাইল্যান্ডে একান্তে ঘুরছেন পরিণীতি চোপড়া এবং রাঘব চড্ডা। চায়নাটাউনের ছবিও দিয়েছেন। ব্যাঙ্ককে গেলে কী ভাবে ঘুরতে পারেন চায়নাটাউন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৬ ০৯:৫৭
অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া এবং রাঘর চাড্ডা তাইল্যান্ডে  চায়না টাউনের ছবি দিয়েছেন। সেখানে বেড়াতে গেলে কী ভাবে জায়গাটি উপভোগ করবেন?

অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া এবং রাঘর চাড্ডা তাইল্যান্ডে চায়না টাউনের ছবি দিয়েছেন। সেখানে বেড়াতে গেলে কী ভাবে জায়গাটি উপভোগ করবেন? ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

সদ্য মা হয়েছেন পরিণীতি চোপড়া। এবার তাঁকে এবং তাঁর রাজনীতিক স্বামী রাঘব চড্ডাকে দেখা গেলে অন্য মেজাজে। তাইল্যান্ডে ছুটি কাটাচ্ছেন তারকা দম্পতি। কখনও সমুদ্র পাড়ে আবার কখনও ব্যাঙ্ককের চায়না টাউনে ঘুরছেন তাঁরা। উপভোগ করছেন স্থানীয় খাবার।

আনন্দের সেই মুহূর্ত সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন পরিণীতি।যুগলের নানা ছবি সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। ব্যাঙ্ককের চায়না টাউনে রাস্তার উপর লাল চিনা লণ্ঠন ঝুলছে। সুদৃশ্য গেট। চারপাশ রঙচঙে। দম্পতির এই ছবি অনুরাগীদের নজর কেড়েছে। তাইল্যান্ডে বেড়াতে গেলে আপনিও ঘুরে নিতে পারেন চায়না টাউন। এই জায়গাটি কী ভাবে উপভোগ করতে পারেন?

ব্যাঙ্ককের চায়না টাউন শুধু তাইল্যান্ড নয়, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চায়না টাউন। ব্যাঙ্ককের বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে চায়না টাউন এক অন্য সংস্কৃতির ছোঁয়া এনে দেয়।

সমুদ্রের ধারে ঘুরছেন যুগল।

সমুদ্রের ধারে ঘুরছেন যুগল। ছবি:সংগৃহীত।

চায়না টাউন রঙিন। প্রবেশদ্বারটি আকর্ষণীয়। এগোলেই ইয়াওয়ার্ট রোড। এই রাস্তাই সময় বিশেষে হয়ে ওঠে জনসমুদ্রে।সকালে তার এক রকম রূপ, সন্ধ্যা হলেই পাল্টে যায় চেহারা। আলোকমালায় সেজে ওঠে শহর। রাস্তার উপরে ঝুলন্ত চৈনিক লণ্ঠনগুলি জ্বলে উঠলে তা হয় একেবারে দেখার মতো। চার দিকে ব্যস্ততা। রাস্তার ধারে খাবার নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। রকমারি খাবারের গন্ধে চারদিকে ম-ম করছে। কেউ দেখেশুনে জিনিসপত্র কিনছেন, কেউ আবার নিছকই এমন সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।

ইতিহাস

চায়না টাউনের ইতিহাস বেশ পুরনো।১৭৮২ সালে ব্যাঙ্ককে চায়না টাউন তৈরি হয়। মূলত টিওচিউ অভিবাসীদের বসবাসের জায়গা ছিল এটি। দ্রুত তারা ব্যাঙ্ককে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। প্রাচীন সেই সংস্কৃতির নিদর্শন আজও রয়ে গিয়েছে এখানে।

খাবার

তাইল্যান্ডের স্থানীয় খাবার।

তাইল্যান্ডের স্থানীয় খাবার। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

চায়না টাউনের অন্যতম আকর্ষণ খাবার। খাদ্যপ্রেমীদের স্বর্গরাজ্য স্থানটি। রাস্তার ধারে রকমারি খাবার সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। সামুদ্রিক খাবার থেকে মিষ্টি পদ, নানা রকম ফল পাওয়া যায় এখানে। ফি কিউয়ি-সহ একাধিক রেস্তরাঁ, ক্যাফে মিলবে এখানে। রকমারি চিংড়ি, ঝিনুক-মেলে এখানে। রাস্তার ধারে দোকান থেকে খেলে সামনেই তাঁরা রান্না করে দেন। এ ছাড়াও গুয়া জাব নামে চালের নুড্‌লস, প ডং গো নামে বিশেষ ধরনের ডোনাট চেখে দেখতে পারেন। রাঘব-পরিণীতিও ব্যাঙ্ককে গিয়ে নানা রকম খাবার খেয়েছেন। সেই ছবিও তাঁরা সমাজমাধ্যমে দিয়েছেন।

 ব্যাঙ্ককের চায়না টাউন।

ব্যাঙ্ককের চায়না টাউন। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

দেখার জায়গা

ইয়াওয়ার্ট রোডের অদূরেই রয়েছে ওয়াট ট্রাইমিট। এখানে রয়েছে সোনার বুদ্ধ মূর্তি। ঘুরে নিতে পারেন ওয়াট মাংকন কামলাওয়াত। এটিও চিনা বৌদ্ধ মন্দির।

কেনাকাটার জন্য আছে সামপেং মার্কেট। হাঁটাপথে পৌঁছোনো যায়। পোশাক এবং উপহার দেওয়ার জন্য নানা সামগ্রী মিলবে এখানে।ঘুরে নিতে পারেন তালাত নই। এটি এখানকার চিনাদের পুরনো পাড়া। শৈল্পিক সৌন্দর্য দেখতে পাবেন প্রতিটি বাড়ি এবং রাস্তায়। যাঁরা ছবি তুলতে ভালবাসেন, তাঁদের খুব পছন্দের জায়গা হতে পারে এটি।

থাকার জায়গা

চায়নাটাউনে ছোট-বড়া নানা ধরনের হোটেল মিলবে। আছে চিনাদের পুরনো বাড়ি এবং অতিথিনিবাস। এখানকার সংস্কৃতিকে গভীর ভাবে জানতে হলে এখানে থাকাই ভাল। এখানে একাধিক ঐতিহ্যবাহী থাকার স্থান রয়েছে।

কী ভাবে যাবেন

ব্যাঙ্ককের বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গাড়ি ভাড়া করে চায়না টাউন চলে আসতে পারেন। ৪০-৪৫ মিনিটেই পৌঁছে যাবেন। ব্যাঙ্ককের অন্য প্রান্ত থেকে আসতে হলে জলপথে বা এমআরটি করেও আসতে পারেন।

Thailand Trip Parineeti Chopra Raghav Chadha Bungalow China Town
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy