Advertisement
E-Paper

হাঁসফাঁস করা গরমে একটু স্বস্তি চাই? উত্তরবঙ্গের তিন গ্রামই হতে পারে শান্তির আশ্রয়

মেঘমুলুকে পাড়ি দিতে চাইলে অপেক্ষা করছে দার্জিলিং, কালিম্পঙের অজানা কিছু গ্রাম। সেখানেই রয়েছে শান্তির ঠিকানা। চা-বাগান, কাঞ্চনজঙ্ঘার হাতছানি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০৫
পাহাড়ের কোলে শান্তির ঠিকানা।

পাহাড়ের কোলে শান্তির ঠিকানা। ছবি: সংগৃহীত।

একদিকে, ভোটের উত্তাপ, অন্য দিকে, বাড়ছে দাবদাহ। এই সময়ে একটু বেড়িয়ে আসতে মন চাইছে? গরমে স্বস্তি মিলতে পারে পাহাড়ে। ভোট হয়ে গিয়েছে সেখানে। বেড়াতে যাওয়ায় তেমন কোনও বাধা নেই। তালিকায় থাক তিন জায়গা, যেখানে মিলবে স্বস্তি। সবুজে আরাম পাবে চোখ।

তেন্দ্রাবং

মেঘমুলুকে পাড়ি দিতে চাইলে কালিম্পঙের তেন্দ্রাবং হতেই পারে পছন্দের জায়গা। আর পাঁচটি পাহাড়ি গ্রামের মতোই তা ভারি শান্ত, স্নিগ্ধ এবং সুন্দর। জায়গাটি একটু বেশিই নির্জন। পাইন বনকে ঘিরে থাকা মেঘ-কুয়াশার আস্তরণ সরলেই দৃশ্যগোচর হবে সবুজ পাহাড়। আর যদি সূর্যদেব প্রসন্ন হন, মেঘ বিদায় নেয়, তবে দেখতে পাবেন শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। অর্কিড, প্রজাপতি, পাখি, গ্রাম্য মানুষের সরল জীবনযাত্রা, গাল ভরা হাসি নিয়ে ছুটে বেড়ানো শিশুদের দেখতে দেখতে এগিয়ে যাবে ঘড়ির কাঁটা। যদি পাখি নিয়ে আগ্রহ থাকে, তা হলে সঙ্গে রাখতে পারেন দূরবীনও। এই গ্রামের খুব কাছেই নেওড়া ভ্যালি জাতীয় উদ্যান।

Advertisement

কোথায় থাকবেন?

তেন্দ্রাবঙে থাকতে গেলে হোম স্টে-ই ভরসা। সেখানে যেমন বিলাসিতা নেই, তেমনই আতিথেয়তার অভাবও নেই।

কী ভাবে যাবেন?

কালিম্পং থেকে তেন্দ্রাবঙের দূরত্ব ২৩ কিলোমিটার। সরাসরি এনজেপি থেকে গাড়ি করে আসতে পারেন। দূরত্ব ৯৪ কিলোমিটার। আবার শেয়ার গাড়িতে বা বাসে কালিম্পং এসে গাড়ি ভাড়া করে সেখানে যেতে পারেন।

পাবং

কালিম্পং থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে পাবং। হোমস্টে বা হোটেলে বসেই উপভোগ করা যাবে সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত। গরমের আবহাওয়া মনোরম। ঠান্ডার বাড়াবাড়ি নেই। নিরিবিলিতে ২-৩ দিনের ছুটি কাটানোর পক্ষে উপযুক্ত জায়গা হল পাবং। হোমস্টের বারান্দা থেকে তাকালেই চোখে পড়বে পাহাড়ের অপরূপ শোভা। এখান থেকে ঘুরে আসতে পারেন নেওড়া ভ্যালি ন্যাশনাল পার্ক।

কী ভাবে যাবেন?

কালিম্পং থেকে পাবঙের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। সরাসরি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গাড়ি করে আসতে পারেন। আবার শেয়ার গাড়িতে বা বাসে কালিম্পং এসে গাড়ি ভাড়া করে সেখানে যেতে পারেন।

ঋষিহাট

গরমে ঢুঁ মারতে পারেন ঋষিহাটে। পাহাড়ের কোলে ছোট ছোট কাঠের ঘরবাড়ি। থাকার জন্য আছে খানকতক হোমস্টে। প্রশান্তি এখানকার প্রাপ্তি। কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ শোভা, চা-বাগানের সবুজা‌লি রূপ, আর পাহাড়ের রূপ-রস-গন্ধ উপভোগ করার আদর্শ ঠিকানা এই গ্রামটি। নানা রকম অর্কিডের দেখা মিলবে এখানে। গ্রামের লোকজন চাষাবাদ করেন। দেখতে পাবেন পাহাড়ের ঢালে হয়ে রয়েছে নানা রকম ফসল।

কী ভাবে যাবেন?

নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে ঋষিহাটের দূরত্ব প্রায় ৭৮ কিলোমিটার। জায়গাটি দার্জিলিঙের কাছেই। এনজেপি থেকে গাড়ি করে আসতে পারেন। আবার শেয়ার গাড়িতে বা বাসে দার্জিলিং এসে গাড়ি ভাড়া করে হোম স্টে পৌঁছোতে পারেন।

Travel Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy