Advertisement
E-Paper

চার মাসের বেতন না দিয়ে রাতারাতি ঝাঁপ বন্ধ করল পুণের স্টার্ট-আপ সংস্থা, ভেসে গেলেন ৭০০ তরুণ-তরুণী

সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে স্টার্টআপ সংস্থাটি নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে। ইন্টার্নদের মাসিক ১৫,০০০ টাকা বৃত্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। চাকরি দেওয়ার নাম করে এবং ট্রেনিং ও ল্যাপটপ বাবদ সংস্থার প্রত্যেক প্রার্থীর থেকে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা (সিকিউরিটি ডিপোজ়িট) দাবি করা হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ ১৭:৩০

—প্রতীকী ছবি।

৭০০ চাকরিপ্রার্থীকে পথে বসিয়ে রাতারাতি উধাও হয়ে গেল পুণের এক সংস্থা। পুণেতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি ভারতের আইটি এবং স্টার্টআপের ক্ষেত্রে বড়সড় আলোড়ন তৈরি করেছে। রাতারাতি প্রায় ৭০০ জন (অনেকেরই প্রথম চাকরি) তাঁদের চাকরি হারানোর পাশাপাশি এক বড়সড় আর্থিক জালিয়াতির শিকার হয়েছেন বলে দাবি। সংবাদমাধ্যম সূত্রে দাবি, পুণের হিঞ্জাওয়াড়ির গ্যারাজ ইম্পেরিয়াল রাইজ় বিল্ডিংয়ে থাকা তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ‘থিঙ্ক টেক ইন্ডিয়া’ রাতারাতি তাদের অফিস বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে স্টার্টআপ সংস্থাটি নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে। ইন্টার্নদের মাসিক ১৫,০০০ টাকা বৃত্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। চাকরি দেওয়ার নাম করে এবং ট্রেনিং ও ল্যাপটপ বাবদ সংস্থার প্রত্যেক প্রার্থীর থেকে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা (সিকিউরিটি ডিপোজ়িট) দাবি করা হয়। চাকরি পাওয়ার আনন্দে এবং অভিজ্ঞতার আশায় অনেকেই ধারদেনা করে সেই টাকা জমা দেন। শুরুতে টাকাপয়সা ও বেতন নিয়ে সমস্যা ছিল না। বেতন নিয়মিতই দেওয়া হত। কিন্তু ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয় সংস্থা। বেতন বন্ধ হতেই সিইও এবং পরিচালক হর্ষল ভানুদাস ইন্টারনাল অডিটের অজুহাত দেখিয়ে কর্মীদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। কর্মীরা শুরুতেই যাতে কোনও আইনি পদক্ষেপ বা হইচই না করেন তার জন্য মানবসম্পদ বিভাগকে দিয়ে মেলও পাঠানো হয়েছিল। যাতে পুরো বিষয়টি কর্মীদের কাছে বৈধ এবং বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। বেতন দেওয়ার সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পর নতুন তারিখ দেওয়া হয়। প্রথমে মার্চ, তার পর ২০ এপ্রিল, তার পর ২৯ এপ্রিল, তার পর ৩০ এপ্রিল। এক বৈঠকে সিইও কর্মচারীদের বলেছিলেন যে সমস্ত বকেয়া পরিশোধ করতে তাঁর আরও তিন মাস সময় লাগবে। এপ্রিল পার হয়ে গেলেও সেই টাকা ইন্টার্নদের ব্যাঙ্কে এসে পৌঁছোয়নি।

থিঙ্ক টেকের জালিয়াতিতে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মচারীরা ২০ এপ্রিল পুণে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। উপ-শ্রম কমিশনারের কাছেও একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ১ মে সংস্থার সিইও বকেয়া পাওনা স্বীকার করে তিন মাসের মধ্যে তা পরিশোধের লিখিত আশ্বাস দিয়েছিলেন। কর্মচারীরা বলছেন, তাঁরা এখন আর তাঁকে বিশ্বাস করেন না। এরই মাঝে অফিসে ঝাঁপ পড়তেই সমস্ত হারিয়ে অকূলপাথারে ৭০০ কর্মী।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy