প্রস্তাবিত আঞ্চলিক সংগঠিত বাণিজ্য চুক্তি (আরসিইপি) ক্ষেত্রে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি রফতানিকারীদের ব্যবসা বৃদ্ধির সুযোগ নিশ্চিত করাই হবে ভারতের লক্ষ্য। বুধবার এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। তাঁর দাবি, নির্বিচারে আমদানি যাতে না-হয় সে বিষয়েও ভারতের নজর থাকবে। লক্ষ্য থাকবে আরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরির দিকেও। আগামী ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য আরসিইপি সদস্যভুক্ত দেশগুলিকে দিল্লিতে আহ্বান জানিয়েছে ভারত।

গত ২০১২ সাল থেকে আঞ্চলিক ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অংশীদারি নিয়ে চুক্তির বিষয়ে ১৬টি দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত ১০টি দেশ ছাড়াও তার মধ্যে রয়েছে ভারত, চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। আরসিইপি চুক্তির মধ্যে চিন থাকায় অনেক শিল্প তা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। আজ মন্ত্রী বলেন, এটা ঠিক যে কিছু শিল্প নিজেদের দ্বিধার কথা বলেছে। কিন্তু তেমনই আবার চিন-সহ বিভিন্ন দেশের বাজার ধরার লক্ষ্যে ওষুধের মতো অনেক শিল্প এতে সায়ও দিয়েছে।

মন্ত্রীর মতে, সব চুক্তিতেই কোনও না-কোনও মহলের আপত্তি থাকে। কিন্তু সে সব সামলেই চুক্তি এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। সমস্ত পক্ষের কথা শুনতে গেলে কোনও চুক্তিই হবে না। এই প্রসঙ্গেই গয়ালের দাবি, ভারত চুক্তিতে যোগ দিলে দেশীয় শিল্পের স্বার্থের কথা অবশ্যই মাথায় রাখা হবে।