গাড়ি শিল্পে ‘রক্তক্ষরণ’ অব্যাহত। দিন কয়েক আগে গাড়ি সংস্থাগুলির সংগঠন সিয়াম দেখিয়েছিল জুলাইয়েও পাইকারি বাজারে কতখানি তলানিতে নেমেছে ব্যবসা। বিক্রি না হওয়ার ভয়ে কী ভাবে সংস্থাগুলির থেকে গাড়ি কেনা কমাচ্ছে ডিলাররা। এ বার ডিলারদের সংগঠন ফাডা বলল, ওই মাসেই খুচরো ব্যবসা অর্থাৎ শোরুম থেকে ক্রেতাকে গাড়ি বিক্রির হার গত বছরের তুলনায় ফের কমে যাওয়ার কথা। 

সোমবার ফাডা জানিয়েছে, গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে এ বারের জুলাইয়ে তিন চাকা ছাড়া সব ধরনের গাড়ি বিক্রিই কমেছে। অবশ্য গত জুনের চেয়ে জুলাইয়ে বাণিজ্যিক গাড়ি ছাড়া বাকি সব গাড়ির বিক্রি কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু ফাডা-র প্রেসিডেন্ট আশিস হর্ষরাজ কালে মনে করিয়েছেন, এ বছরে ফেব্রুয়ারির পরে জুনেই শোরুম থেকে সবচেয়ে কম গাড়ি বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ, সেই মাসের তুলনায় জুলাইয়ে গাড়ি বিক্রি তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। তবে তিনি এও জানিয়েছেন, জুনে বর্ষা একেবারেই হয়নি। তুলনায় সম্প্রতি বর্ষা ভাল হওয়ায় তাই ক্রেতাদের আগ্রহ সামান্য হলেও বেড়েছে। 

সার্বিক ভাবে শোরুমে যাত্রী-গাড়ির মজুত স্বাভাবিকের কাছাকাছি এলেও বাণিজ্যিক ও দু’চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে তা এখনও সেই তুলনায় অনেক বেশি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বাণিজ্যিক ও দু’চাকার গাড়ি বিক্রি এখনও পড়তি থাকার মানে অর্থনীতির হাল খারাপ। 

চাহিদার অভাবে বিক্রিতে ভাটার জেরে তাই ডিলারদের মজুত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়েছে। তাদের আর্জি মেনে পাইকারি গাড়ি বিক্রিতেও কিছুটা রাশ টেনেছে সংস্থাগুলি। সেই হারে উৎপাদনে ছাঁটাই করছে তারা। সব মিলিয়ে ব্যবসা ধাক্কা খাওয়ায় কাজ হারিয়েছেন লক্ষাধিক কর্মী।