মাত্র এক দিনের মধ্যেই ট্রাম্প আতঙ্ক থেকে বেরিয়ে এল শেয়ার বাজার। বরং এখন ট্রাম্পের ভাল দিকগুলির দিকে তাকিয়ে লগ্নিকারীরা। পাশাপাশি, বড় অঙ্কের নোট বাতিলের প্রভাবও অনেকটাই কেটে গিয়েছে বলে বাজার সূত্রের ইঙ্গিত।
আগের দিনের টালমাটাল অবস্থা কাটিয়ে বৃহস্পতিবার সেনসেক্স ২৬৫.১৫ পয়েন্ট বেড়ে থেমেছে ২৭,৫১৭.৬৮ অঙ্কে। একই তালে নিফ্টিও ৯৩.৭৫ পয়েন্ট বেড়ে থিতু হয় ৮৫২৫.৭৫ অঙ্কে।
তবে বাজার সূত্রের খবর, বিদেশি লগ্নি সংস্থাগুলির শেয়ার বিক্রি কিন্তু অব্যাহত। গত বুধবার ওই সব সংস্থা শেয়ার বিক্রি করেছিল ২০৯৫ কোটি টাকার। এ দিন আরও ৭৩৩ কোটি র শেয়ার বিক্রি করেছে তারা। অবশ্য ভারতীয় আর্থিক সংস্থাগুলি কিন্তু এ দিন শেয়ার কিনতে নেমে পড়ে। তারা ৬৩৯ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে।
৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত আখেরে ভাল ফল দেবে বলেই এখন শেয়ার বাজার মহল মনে করছে। কারণ, এর জেরে ব্যাঙ্কের ঘরে নগদের জোগান বাড়বে। এ দিন ব্যাঙ্কের শেয়ার দরও হু হু করে বেড়ে যায়। উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অব বরোদা, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, পিএনবি-র দর।
তবে এ দিনও পড়েছে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার শেয়ার দর। ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী প্রচারে বলেছিলেন, আমেরিকানদের কর্মসংস্থান বাড়াতে ভিন্ দেশ থেকে ‘আউটসোর্সিং’ বন্ধে ব্যবস্থা নেবেন তিনি। এর প্রভাব ভারতীয় তথ্যপ্রয়ুক্তি শিল্পে পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা।
তবে পুঁজিপতিদের ‘বন্ধু’ বলে পরিচিত ট্রাম্প নির্বাচনে জেতার পরে বাস্তব ক্ষেত্রে কী করেন, সেই দিকেই এখন তাকিয়ে আছে ভারত-সহ সারা বিশ্বের শেয়ার বাজার।