বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া ঋণের টাকা অন্যত্র সরানোর অভিযোগ উঠেছে রিলায়্যান্স অনিল ধীরুভাই অম্বানী গোষ্ঠীর বিভিন্ন সংস্থা এবং তার কর্ণধার অনিল অম্বানীর বিরুদ্ধে। এ জন্য তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। সেই মামলায় নতুন করে অনিল ও তাঁরগোষ্ঠীকে নোটিস পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। এটাই শেষ সুযোগ বলেও স্পষ্ট করেছে তারা। পাশাপাশি, এই অভিযোগের তদন্ত কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে, ১০ দিনের মধ্যে সিবিআই, ইডি-কে সেই তথ্য জানাতেও নির্দেশদিয়েছে শীর্ষ আদালত।
ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক অনিল ও তাঁর বিভিন্ন সংস্থার অ্যাকাউন্টকে প্রতারক বলে ঘোষণা করেছে। যা নিয়ে মামলাও চলছে বিভিন্ন আদলতে। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সচিব ই এ এস শর্মা। গত ১৮ নভেম্বর প্রথমবার কেন্দ্র, দুই তদন্তকারী সংস্থা, অনিল এবং এডিএজি-কে নোটিস পাঠায় প্রধান বিচারপতি সূর্য কাম্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীকে নিয়ে তৈরি বেঞ্চ।
উল্লেখ্য শর্মার তরফে আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের দাবি ছিল, এটা সম্ভবত ‘ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কর্পোরেট জালিয়াতি’। ২০০৭-০৮ থেকে প্রতারণা হলেও, এফআইআর করা হয়েছে ২০২৫ সালে। ইডি, সিবিআই কী তদন্ত করছে, সেটাও জানাতে সুপ্রিম কোর্ট যাতে নির্দেশ দেয় সেই আর্জি জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, তারা যে ব্যাঙ্কের যোগসাজশেরতদন্ত করছে না, সেটা স্পষ্ট। সিবিআই গত ২১ অগস্ট এফআইআর দায়ের করলেও, তা এই জালিয়াতির অল্প অংশকে ঘিরে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)