‘কলকাতাশ্রী’র পরে এ বার ‘স্বাস্থ্যবান্ধব শারদ সম্মান’ প্রতিযোগিতা। আয়োজনে সেই কলকাতা পুর প্রশাসন।

পুর ভবনে শনিবার নায়ক সাংসদ দেবকে হাজির করালেন পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। এর আগে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে এনে কলকাতাশ্রী অনুষ্ঠানের সূচনা করিয়েছিলেন মেয়র পারিষদ (উদ্যান) দেবাশিস কুমার। পুজোর প্রতিযোগিতার পাশাপাশি এ ধরনের অনুষ্ঠানের সূচনায় তারকাকে হাজির করা নিয়ে যেন উদ্যোক্তাদেরও মধ্যে অলিখিত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এ দিন মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং দীপক অধিকারীকে (দেব) সাক্ষী রেখে সেই বার্তাই দিলেন অতীনবাবু। বললেন, ‘‘সবে শুরু হয়েছে ‘স্বাস্থ্যবান্ধব’-এর প্রক্রিয়া। এর মধ্যেই শহরের ১৪০০ পুজো কমিটির আবেদন জমা পড়েছে।’’ মূলত, কোন পুজো কমিটি মশাবাহিত রোগ দমনে কতটা কাজ করছেন, তার ভিত্তিতে দেওয়া হয় ‘স্বাস্থ্যবান্ধব’ শারদ সম্মান। এ বার শহরের ১২০টি পুজো কমিটিকে সেই পুরস্কার দেওয়া হবে।

কলকাতাশ্রীর মতো এই প্রতিযোগিতাতেও কি মেয়র পারিষদদের পুজো বাদ পড়বে? অতীনবাবু বলেন, ‘‘এখানে কোন পুজো কমিটি ডেঙ্গি প্রতিরোধে কেমন কাজ করছে, তার ভিত্তিতে পুরস্কার। তাই সব পুজোই অংশ নিতে পারে। প্রতিযোগিতার আসরে নেমে যে কমিটি যতটুকু কাজ করবে তাতে লাভবান হবেন শহরবাসী। তাই কাউকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না। পুরস্কার মূল্য ৩০ হাজার ও ২০ হাজার টাকা করে। মেয়র বলেন, ‘‘মণ্ডপে বা প্রতিমার নীচে জল জমে থাকছে কি না, বিচারে তা-ও দেখা দরকার।’’