দিনের পর দিন ট্রাক চালিয়ে সময় কেটে যায় পথেই। শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করানোর সুযোগ তেমন পান না তাঁরা। সে কথা মাথায় রেখে সোমবার জাতীয় সড়কের ধারে বিভিন্ন জায়গায় ট্রাক চালকদের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু ও স্বাস্থ্যপরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করল ট্র্যাফিক পুলিশ।

এ দিন ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কর্মসূচির প্রচারের পাশাপাশি জাতীয় সড়কের ধারে বিভিন্ন জায়গায় ট্রাক চালকদের জন্য স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন হয়। দুর্গাপুরের গাঁধী মোড়ে শিবিরের উদ্বোধন করেন এসিপি (পূর্ব) আরিশ বিলাল। ছিলেন মহকুমাশাসক অনির্বাণ কোলে, ডিসি (পূর্ব) অভিষেক গুপ্ত, ডেপুটি মেয়র অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়। মহকুমাশাসক বলেন, ‘‘পুলিশ নিজের দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সামাজিক কাজও করে চলেছে। সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচির ফলে দুর্ঘটনা কমেছে। সচেতনতা আরও বাড়াতে হবে।’’ ডিসি (পূর্ব) গাড়ি চালানোর সময়ে সিট বেল্ট বাঁধা ও মোটরবাইক চালানোর সময়ে হেলমেট পরার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন করেন। তিনি বলেন, ‘‘ট্রাক চালকেরা দিনের পর দিন গাড়ি চালান। তাঁরা নিজেদের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করানোর সময়-সুযোগ পান না। তাতে বিপদের আশঙ্কা বাড়ে। তাঁদের  সচেতন করতেই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।’’  

এ দিন দুর্গাপুর ব্লাইন্ড রিলিফ সোসাইটি ও কোকআভেন থানার যৌথ উদ্যোগে গ্যামন ব্রিজ লাগোয়া মাঠে মোট ৭১ জন ট্রাক চালকের চক্ষুপরীক্ষা করানো হয়। তাঁদের মধ্যে চার জনের ছানি অস্ত্রোপচার করাতে হবে। পরে ব্লাইন্ড রিলিফ সোসাইটির হাসপাতালে তাঁদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বুদবুদ, মুচিপাড়াতেও শিবির হয়। অণ্ডালের টপলাইনে চক্ষুপরীক্ষা শিবিরে ৫০ জন চালকের চোখ পরীক্ষা করানো হয়। জামুড়িয়ার নজরুল শতবর্ষ ভবনে শিবিরে ছিলেন এসিপি (সেন্ট্রাল) স্বপন দত্ত ও   এসিপি (ট্র্যাফিক) রশিদ আনসারি। রানিগঞ্জের পঞ্জাবি মোড়ের শিবিরে চক্ষুপরীক্ষা করা হয়।