শিলিগুড়ি হাসপাতালে প্রসূতি বিভাগে অস্ত্রোপচারের টেবিল ও শয্যা বাড়াতে হবে বলে জানালেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা বিশ্বরঞ্জন শতপথি। শুক্রবার শিলিগুড়ি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগ ঘুরে দেখে এ কথা জানান তিনি। ছিলেন দার্জিলিং জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অসিত বিশ্বাস, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের সুপার নির্মল বেরা, শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের সুপার অমিতাভ মণ্ডল-সহ অন্য জেলা হাসপাতালের সুপার ও স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা।

এ দিন মূলত প্রসূতি বিভাগের বর্তমান পরিস্থিতি দেখতেই হাসপাতালে গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। সেটা খতিয়ে দেখে তাঁর মনে হয়েছে বেশ কিছু উন্নতি দরকার। তিনি বলেন, ‘‘অস্ত্রোপচারের টেবিল দ্রুত বাড়িয়ে পাঁচটি করা হবে। সেই সঙ্গে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের চাপ সামলাতে শয্যা সংখ্যাও যতটা সম্ভব বাড়ানো হবে।’’ তিনি আরও জানান, প্রসূতি বিভাগের ঘরের আয়তন বৃদ্ধি করা হবে। প্রয়োজনে অন্য জায়গায় ঘর বানিয়ে সেখানেও প্রসূতি শয্যা বাড়ানো হতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিকর্তা জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশমতো শিলিগুড়ি হাসপাতালেও রাজ্যের অন্য হাসপাতালগুলির মতো ‘গ্রিভেন্স রিড্রেসাল সেল’ বা অভিযোগ প্রতিবিধান সেল তৈরি করা হচ্ছে। সেখানে তিন জন মেডিক্যাল অফিসারকে এই সেলের দায়িত্ব দেওয়া থাকবে। তাঁরা ২৪ ঘণ্টা ডিউটি ভাগ করে কাজ করবেন। তাঁদের ‘মনিটর’ বা দেখভাল করার জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতালেরই একজন মেডিক্যাল অফিসারকেই নোডাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হবে। তিনি জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক আর গ্রিভেন্স সেলের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করবেন।

এ দিন শতপথি দু’দফায় উত্তরবঙ্গের সাত জেলা হাসপাতালের সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে সাতটি জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে নিয়েও বৈঠক করেন। বৈঠকের পর জানান, স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নত করতেই এ দিন আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গের দু’একটি জায়গায় জাপানি এনসেফ্যালাইটিস হলেও তা অন্যবারের তুলনায় অনেক কম।’’ তবে কোনও পরিসংখ্যান এই মুহূর্তে তাঁর কাছে নেই বলে জানান তিনি।