স্যাডলার কমিশনের সুপারিশ মেনে সূচনা হয়েছিল বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের। শতবর্ষের সূচনায় বর্তমান প্রজন্মের পড়ুয়ারা বেলুন উড়িয়ে বার্তা দিল ভবিষ্যৎ অগ্রগতির।
শনিবার, ৩ জানুয়ারি সকাল থেকেই বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সাজো সাজো রব। সকাল সাড়ে ৭টায় স্কুল থেকে বার করা হয় পদযাত্রা। বর্তমান ছাত্রের সঙ্গে পা মিলিয়েছিলেন প্রাক্তন ছাত্রেরাও। পরে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাজ্যের শিক্ষা সচিব বিনোদ কুমার ও অন্য অতিথিরা।
আরও পড়ুন:
বর্তমান পড়ুয়াদের উদ্দেশে শিক্ষা সচিব বলেন, “তোমরা এমন এক স্কুলে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছ, যেখানে সব ধরনের পরিকাঠামো রয়েছে। স্কুলের নতুন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে এগিয়ে যেতে হবে।”
এ দিনের অনুষ্ঠান আক্ষরিক অর্থেই শতবর্ষের উদযাপনের সঙ্গে মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। একই সঙ্গে কথা বলতে দেখা গেল ১৯৭৬ এর মাধ্যমিক ও ২০০৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করা প্রাক্তনীদের। তাঁরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলার সময়, ফিরে গেলেন তাঁদের সেই পুরনো স্মৃতিতে।অনেকের স্মৃতির চিলেকোঠায় ফিরে এলো সেই পুরনো সময়ের স্কুলের সামনে গেটে বিক্রি হওয়া ৫ পয়সার আইসক্রিম ও কুলফি খাওয়ার গল্প। স্কুলের টিচার ইনচার্জ রনজিত গরাং বলেন, "আমাদের প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমে পড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। এখন যেখানে সরকারি স্কুলগুলিতে পড়ুয়া ভর্তি নিম্নমুখী, এখানে আমাদের স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ১২০০ ছাত্র রয়েছে।"