Advertisement
E-Paper

হোলাষ্টকের তাৎপর্য কী? দোলের আগের এই সময়কাল কি সত্যিই ভয়ঙ্কর? কোন কাজগুলি করা নিষিদ্ধ? কী করলে সুফল পাবেন?

ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথি থেকে হোলাষ্টক শুরু হয় এবং চলে ফাল্গুনী পূর্ণিমার দিন পর্যন্ত। পূর্ণিমা তিথিতে হোলাষ্টকের অবসান ঘটে।

বাক্‌সিদ্ধা গার্গী

শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:২৪
holashtak

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

৩ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার দোলপূর্ণিমা। তবে দোল উৎসব শুরু হয়ে যায় তার আগের দিন থেকেই। ফাল্গুনী পূর্ণিমার আগের রাতে দুষ্টু শক্তি বিনাশের উদ্দেশ্যে হোলিকা দহন করা হয়। চলতি ভাষায় সেটি নেড়াপোড়া নামে পরিচিত। শুকনো পাতা, লাঠি, খড় প্রভৃতি দিয়ে বানানো হয় বুড়ির ঘর। সেই ঘরে মাটি দিয়ে বুড়ো ও বুড়ির পুতুল বানিয়ে দিয়ে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এর ফলে অশুভ শক্তির কবল থেকে রেহাই পাওয়া যায়। তবে দোলপূর্ণিমার পবিত্র তিথির আগের দিন কেন এই কাজ করা হয় কখনও ভেবে দেখেছেন?

ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথি থেকে হোলাষ্টক শুরু হয় এবং চলে ফাল্গুনী পূর্ণিমার দিন পর্যন্ত। পূর্ণিমা তিথিতে হোলাষ্টকের অবসান ঘটে। সেই কারণে তার আগের দিন দুষ্টের দমন করার উদ্দেশ্যে হোলিকা দহন করা হয়। শাস্ত্রমতে, এই তিথি অশুভ। এই সময় গ্রহদের অশুভ প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে জীবনে নানা সমস্যা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দেয়। এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসের ২৪ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে হোলাষ্টক, শেষ হবে ৩ তারিখ। বিশেষ কিছু কাজ রয়েছে যা এই সময় করা উচিত নয়, বদলে কিছু কাজ করলে সুফল প্রাপ্তি সম্ভব। সেগুলি সম্বন্ধে জেনে নিন।

কোন কাজগুলি এই সময় করা অনুচিত?

  • কোনও জরুরি কাজ এই সময় শুরু করা উচিত নয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। ব্যবসা শুরু করা, জমি-বাড়ি-গাড়ি কেনা, বিয়ে, অন্নপ্রাশন, গৃহপ্রবেশ প্রভৃতি শুভ কাজ এই সময় করা উচিত নয়।
  • হোলাষ্টকের সময়কালে যে হেতু অশুভ শক্তিদের উৎপাত বৃদ্ধি পায়, তাই এই সময় নজরদোষের কবলে পড়ার আশঙ্কাও প্রবল থাকে। রাস্তায় পড়ে থাকা কাপড়ের টুকরো, লেবু প্রভৃতিতে পা দেবেন না। মহিলাদের রাত্রিবেলা চুল খুলে বাড়ির বাইরে না বেরোনোই ভাল হবে। বাচ্চাদেরও নজরে রাখতে পারলে ভাল হয়।
  • এই সময় কোনও প্রকার ক্ষৌরকর্ম না করাই ভাল হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
  • হোলাষ্টকের সময়কালে নতুন জুতো ও জামা কেনাও উচিত নয়। এই সময় কোনও শুভ কাজের জন্য কেনাকাটা করা যাবে না।
  • রাগ, অশান্তি, সমালোচনা করার মতো নেগেটিভ অনুভূতিগুলির উপর রাশ টানুন। এই সময় নিজের মনে কোনও প্রকার খারাপ চিন্তা আসতে দেবেন না।

কোন কাজগুলি করতে পারেন?

  • এই সময় নিয়মিত ধ্যান ও মন্ত্রপাঠ করতে পারলে খুব ভাল হয়। এর ফলে মন শান্ত হয়। অশুভ শক্তিদের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়।
  • বাস্তুকে অশুভ শক্তির কবল থেকে রক্ষা করতে প্রতি সন্ধ্যায় কর্পূর জ্বালান। সেই ধোঁয়া সারা বাড়িতে ছড়িয়ে দিন। তার পর কর্পূর পোড়ানোর ছাই বাড়ির বাইরে ফেলে দিন।
  • প্রতি সন্ধ্যায় সদর দরজার বাইরে একটা প্রদীপ জ্বালান। সেই প্রদীপের তেল শেষ না হওয়া পর্যন্ত জ্বলতে দিন।
  • সম্ভব হলে এই সময় সাধ্যমতো জিনিস গরিব-দুঃখীদের দান করতে পারেন।
Holi Astrology Astrological Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy