রঙের উৎসব দোল। একে অপরকে রং এবং আবির মাখিয়ে, মিষ্টিমুখ করিয়ে শুভেচ্ছা, ভালবাসা বিনিময় করার উৎসব হল দোল বা বসন্ত উৎসব। বসন্ত উৎসব বাংলায় দোল এবং অন্যান্য প্রদেশে হোলি নামে পরিচিত।
দোল বা হোলি— যে নামেই আমরা তা পালন করি না কেন, এই উৎসবের ধর্মীয় তাৎপর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই উৎসব কখনও শ্রীকৃষ্ণ এবং রাধিকাকেন্দ্রিক, কখনও বা বিষ্ণুভক্ত প্রহ্লাদকেন্দ্রিক, আবার কখনও ভগবান শিব এবং পার্বতীকেন্দ্রিক।
আরও পড়ুন:
বঙ্গের দোল উৎসব প্রধানত বৈষ্ণব ধর্মীয় উৎসব। ভগবান রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকেন্দ্রিক। দোল উৎসবের সূচনা হয় দোলের আগের দিন, নেড়া পোড়ানোর মধ্যে দিয়ে। পরের দিন শ্রীকৃষ্ণ এবং রাধিকার বিগ্রহে রং ও আবির দিয়ে দোল উৎসব পালন করা হয়। পবিত্র দোল উৎসবে শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের আরাধনার সঙ্গে পালিত হয় শ্রীশ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর জন্মোৎসবও। আগামী ১৮ ফাল্গুন, ৩ মার্চ, মঙ্গলবার দোলযাত্রা।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে–
১৭ ফাল্গুন, সোমবার।
২ মার্চ, সোমবার।
সময়- বিকেল ৫টা ৫৭ মিনিট।
পূর্ণিমা তিথি শেষ-
১৮ ফাল্গুন, মঙ্গলবার।
৩ মার্চ, মঙ্গলবার।
সময়- বিকেল ৫ টা ৮ মিনিট।
শ্রীশ্রী কৃষ্ণের দোলযাত্রা।
আরও পড়ুন:
গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে-
পূর্ণিমা তিথি আরম্ভ–
১৭ ফাল্গুন, সোমবার।
২ মার্চ, সোমবার।
সময়- বিকেল ৫টা ৪২ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড।
পূর্ণিমা তিথি শেষ-
১৮ ফাল্গুন, মঙ্গলবার।
৩ মার্চ, মঙ্গলবার।
সময়- বিকেল ৪টে ৫৭ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড।
শ্রীশ্রীকৃষ্ণের দোলযাত্রা।