নির্দিষ্ট সময় মেনে ফলপ্রকাশ করতে হবে, খাতা দেখাতে হবে পরীক্ষার্থীদের। সিবিএসই-কে এমনই পরামর্শ দিল সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশন। একই সঙ্গে মূল্যায়নের জন্য কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে, তা-ও বিশদ জানাতে হবে বোর্ডকে।
সংবাদমাধ্যমে সূত্রে খবর, একটি বিশেষ মামলার ভিত্তিতে সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশনের তরফে এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইনফরমেশন কমিশনার সুধারানি রেলাঙ্গি জানিয়েছেন, পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশ কিংবা পরীক্ষার খাতা দেখানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে চলা প্রয়োজন। সময়োপযোগী একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) তৈরি করা অন্তত প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, অতিমারি পর্বে সিবিএসই-র পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। পরে বিশেষ পদ্ধতিতে পড়ুয়াদের মূল্যায়ন করেছিল বোর্ড। সেই সময় এক পরীক্ষার্থী তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় তাঁর প্রাপ্ত নম্বর জানতে চান। কিন্তু সিবিএসই-র তরফে তাঁকে ওই তথ্য জানানো হয়নি। এই বিষয়ে দায়ের হওয়া মামলাও স্থগিত রয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। ঘটনার জেরে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ায় ওই পড়ুয়াকে চিকিৎসকের সাহায্য নিতে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
কমিশন সূত্রে খবর, তথ্যের অধিকার আইন অনুযায়ী ওই পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বর জানানো হয়নি। তাই সেন্ট্রাল পাবলিক ইনফরমেশন অফিসারকে পড়ুয়ার আবেদন খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এ ছাড়াও যে ভাবে পড়ুয়া নিজের প্রাপ্ত নম্বর জানতে চেয়েছেন, তা-ও যেন তাঁকে জানানো হয়।
কমিশনের তরফে সিবিএসই-র সচিবকে একটি দীর্ঘ নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, তথ্যের অধিকার আইনে ২৫(৫) ধারা অনুযায়ী, কী ভাবে পরীক্ষার মূল্যায়ন হচ্ছে, কত দিনের মধ্যে নম্বর প্রকাশ করা হবে, কী ভাবে করা হবে— সে সংক্রান্ত এসওপি বোর্ডের ওয়েবসাইট-এ প্রকাশ করতে হবে। পড়ুয়ারা যাতে সময়মতো ফলাফল জানতে পারেন এবং তাঁরা যাতে তথ্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, তা সুনিশ্চিত করতে কমিশন একাধিক পরামর্শ দিয়েছে সিবিএসই-কে।