যুদ্ধ কবলিত পশ্চিম এশিয়ায় বাতিল হয়েছিল সিবিএসই-র দ্বাদশের পরীক্ষা। প্রবাসী এক ছাত্র প্রাংশু জিগরকুমার প্যাটেল দ্বাদশের ফল প্রকাশ নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই মামলায় যুদ্ধ কবলিত দেশের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন কী ভাবে করা হবে, তার ব্যাখ্যা দিয়েছে কেন্দ্র।
শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চে সিবিএসই-র মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতে ওই নিয়ম ব্যাখ্যা করেছেন সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি জানিয়েছেন, দশমের থিয়োরি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ৪০ শতাংশ এবং দ্বাদশে পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ৬০ শতাংশ মিলিয়ে পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। যাঁরা প্রাইভেট ক্যান্ডিডেট হিসাবে পরীক্ষা দিচ্ছেন, এই মূল্যায়ন পদ্ধতি মেনে তাঁদের নম্বর দেবে বোর্ড।
এর আগে সিবিএসই প্রবাসীদের জন্য একটি ‘বিশেষ মূল্যায়ন নীতি’ তৈরি করে জানিয়েছিল, স্কুলের ত্রৈমাসিক, অর্ধবার্ষিক ও প্রি-বোর্ড পরীক্ষার ফলের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত নম্বর দেওয়া হবে। সেই পদ্ধতিতে প্রাংশুর মূল্যায়ন সম্পূর্ণ না হওয়ায় সমস্যা সমাধানের জন্য নির্দিষ্ট নীতি তৈরি করার আশ্বাস মিলেছিল শীর্ষ আদালতের তরফে।
আরও পড়ুন:
সোমবার ওই মামলার শুনানি চলে বিচারপতি এসভি ভাট্টি এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে। ডিভিশন বেঞ্চের তরফে আবেদনকারীর সমস্যা নতুন নীতি অনুযায়ী সমাধান হবে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। উত্তরে আবেদনকারীর আইনজীবী বিনীত জিন্দল ফল প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে সম্মতি জানান।
তবে তিনি এ-ও আবেদন করেন, প্রাংশুর উত্তরপত্রের প্রতিলিপি হাতে পাওয়ার এবং সিবিএসই-র নিয়ম অনুযায়ী পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করার অধিকার সুরক্ষিত করা হোক। যদিও ডিভিশন বেঞ্চের তরফে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আবেদন না জানানোর কারণে ওই আর্জি খারিজ করে দেওয়া হয়। এর পর ডিভিশন বেঞ্চ সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্য নথিভুক্ত করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে। পাশাপাশি, আবেদনকারীকে অন্য কোনও অভিযোগ থাকলে আইন অনুযায়ী প্রতিকার চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।