গতানুগতিক টোল শিক্ষা ব্যবস্থার অধীনে সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেও পড়া যাবে চিকিৎসাবিদ্যা। দ্বাদশ সমতুল পরীক্ষার পর সরাসরি মেডিসিন এবং সার্জারি নিয়ে স্নাতকে ভর্তির সুযোগ দেবে কেন্দ্রীয় সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্যাচেলর অফ আয়ুর্বেদিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (বিএএমএস) নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শ্রীনিবাস ভরখেদি জানিয়েছেন, জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, প্রাচীন আয়ুর্বেদ বিদ্যার সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন করে, সামঞ্জস্য বজায় রেখে পাঠ্যক্রম তৈরি করা হয়েছে। এতে পড়ুয়ারা আয়ুর্বেদ চিকিৎসাবিদ্যা নিয়ে উচ্চশিক্ষায় আরও বেশি সুযোগ পাবেন বলে দাবি।
মোট সাত বছর ছ’মাসের কোর্সে পড়াশোনার সঙ্গে ইন্টার্নশিপ, প্রি আর্য়ুবেদ এডুকেশন প্রোগ্রামের অধীনে প্রশিক্ষণের সুযোগও থাকছে। যে ভাবে মেডিক্যাল-এ ভর্তি হওয়ার জন্য নিট-এর মতো প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হতে হয়, সে ভাবেই এই কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য পড়ুয়াদের প্রি আর্য়ুবেদ প্রোগ্রাম (পিএপি) নিট দিতে হবে। ওই পাঠ্যক্রমের বিষয়বস্তু, ট্রেনিং প্রোগামের যাবতীয় বিধি ন্যাশনাল কমিশন ফর ইন্ডিয়ান সিস্টেম অফ মেডিসিন (এনসিআইএসএম) প্রি আয়ুর্বেদ বিএএমএস ফ্রেমওয়ার্ক (বিএএমএস) অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে।
ছবি: এআই।
এরই সঙ্গে এনসিআইএসএম এবং সেন্ট্রাল সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে চালু হয়েছে ‘আয়ুর্বেদ গুরুকুলম’ শীর্ষক পোর্টাল। ওই পোর্টালের সাহায্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি সরকারি অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এ প্রসঙ্গে এনসিআইএসএম-এর চেয়ারপার্সন মনীষা কোঠেকর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আয়ুর্বেদ এবং সংস্কৃতের মতো বিষয়ের সঙ্গে চিকিৎসাবিদ্যা, বিজ্ঞান এবং নতুন প্রযুক্তির সংযোজন যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক। এর মাধ্যমে চিরাচরিত জ্ঞান চর্চাকে নতুন দিশা দেখানো সম্ভব।