Advertisement
E-Paper

কম বয়সেই গ্রাস করছে অবসাদ, পড়ুয়াদের আত্মহত্যা ঠেকাতে স্কুল স্তরে বিশেষ ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় নির্দেশ

আত্মহত্যা বন্ধে দেশের প্রতিটি স্কুলে ৩৬ পাতার এক নির্দেশিকা পাঠাচ্ছে কেন্দ্র। ‘উমঙ্গ’ নামে এই নির্দেশিকা তৈরি করেছে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং বা এনইআরটি। ইতিমধ্যে এ রাজ্যের স্টেট কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং বা এসসিইআরটি-র কাছে সেই নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ১০:৪৮

— প্রতীকী চিত্র।

প্রত্যাশার চাপ সামাল দেওয়া বা বদলে যাওয়া পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা সব পড়ুয়ার এক রকম হয় না। আর সেই জায়গা থেকেই তৈরি হয় আশঙ্কা। গত কয়েক বছরে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে দেশে শিক্ষা ব্যবস্থাকে। সম্প্রতি সমাজমাধ্যম ছড়িয়ে পড়ছে একটি ভিডিয়ো, যেখানে দেখা যাচ্ছে, রাজস্থানের কোটার এক হস্টেলের পাখাগুলি তারজালি দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। যাতে ঠিক মতো হাওয়া পেলেও ওই পাখাকে আত্মহননের পথ হিসাবে বেছে নিতে না পারে আবাসিকেরা।

কেন্দ্রের রিপোর্টও বলছে, সারা দেশে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার সংখ্যা বেড়েছে। এ বার একেবারে স্কুল স্তর থেকে সচেতনতা প্রসারে উদ্যোগী কেন্দ্রীয় সরকার। শুধু সচেতনতা নয়, পডুয়াদের দিকে নজর রাখার নির্দেশিকাও আসছে।

জানা গিয়েছে, আত্মহত্যা বন্ধে দেশের প্রতিটি স্কুলে ৩৬ পাতার এক নির্দেশিকা পাঠাচ্ছে কেন্দ্র। ‘উমঙ্গ’ নামে এই নির্দেশিকা তৈরি করেছে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং বা এনইআরটি। ইতিমধ্যে এ রাজ্যের স্টেট কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং বা এসসিইআরটি-র কাছে সেই নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে। সে বার্তা বাংলায় আনুবাদও করা হয়ে গিয়েছে বলে জানান এক কর্তা। সে বার্তা স্কুলে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে—

প্রতিটি স্কুলে পৃথক কমিটি গঠন করে প্রতিটি শিক্ষার্থীর আচরণ এবং শরীরীভাষার উপরে নজর রাখতে হবে।

বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং নানা কাজে পড়ুয়াদের যুক্ত রাখার করে তাদের সাফল্যে উৎসাহিত করতে হবে।

ব্যর্থতা এলেও অবসাদ যেন গ্রাস করতে না পারে সেই দিকে বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

এ জন্য ‘স্কুল ওয়েলনেস টিম’ গঠন করার কথা বলা হয়েছে। সেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থীর পাশাপাশি থাকতে পারবেন স্কুল পরিচালন সমিতির কোনও অভিভাবক সদস্য। এই কমিটির কাজই হবে, অবসন্ন শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে দ্রুত সাহায্য করা।

পাশাপাশি পড়ুয়াদের যোগব্যায়াম, ধ্যান, শিল্পকলার সঙ্গে যুক্ত রাখতে হবে। নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমেও পড়ুয়াদের মনকে ভাল রাখা যায়।

পড়ুয়াদের আত্মহত্যা প্রতিরোধের সক্ষম করে তুলতে হবে শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মচারী, পড়ুয়া এমনকি পড়ুয়ার অভিভাবকেও। কোন পরিস্থিতি কী করণীয়, সে বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে হবে সকলকে। প্রয়োজনে মনোবিদের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

স্কুল ওয়েলনেস টিম ওই পড়ুয়ার সঙ্গে কথা বললেও তার কথা গোপনীয় থাকবে, এই আশ্বাস দিতে হবে এবং সেই গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে।

Students school
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy